শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

সাগর দিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ট্রলারসহ দেড়শ রোহিঙ্গা উদ্ধার

নিউজ রুম / ১৪৩ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূল থেকে সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে রোহিঙ্গা বোঝাই একটি ট্রলার উদ্ধার হয়েছে। ট্রলারে শিশু ও নারীসহ দেড়শ রোহিঙ্গা ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। ট্রলারটি সাগরে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে তিনদিন ধরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিল।
টেকনাফ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে আজ  বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকালে টেকনাফের সমুদ্র উপকূলে রোহিঙ্গা বোঝাই একটি ট্রলার ভাসতে দেখে স্হানীয় বাংলাদেশী জেলেরা ট্রলারটি আটকে রাখে। পরে দুপুরে স্হানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা সাগরে ভাসমান ট্রলারকে টেনে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে সৈকতে মহেষখালী পাড়া  ঘাটে নিয়ে আসে পুলিশ ও কোস্ট গার্ডকে খবর দেয়। ইতোমধ্যে ট্রলারে থাকা রোহিঙ্গা শিশু ও মহিলারা কান্নাকাটি করে ট্রলার থেকে নেমে পড়ে। পুলিশ ও কোস্ট গার্ড দল আসার আগেই ট্রলার থেকে নামা রোহিঙ্গারা সটকে পড়ে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য জহীর আহমদ মোবাইলে জানান, সাগরে রোহিঙ্গা বোঝাই মালয়েশিয়াগামী একটি ট্রলার ভাসমান দেখে জেলারা টেনে কূলে নিয়ে আসে। ট্রলারে দেড়শ মতো যাত্রী ছিল। সবাই বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বসবাসকারী। এদের মধ্য বেশির ভাগই নারী ও শিশু ছিল। ঘাটে ওই ট্রলারটি এখনো ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। তবে রোহিঙ্গারা যে যার মতো চলে গেছেন। বিষয়টি পুলিশ ও প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
ট্রলার থেকে নামা এক রোহিঙ্গা জানিয়েছে তারা সবাই উখিয়া বালুখালীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।  ক্যাম্পের পরিস্থিতি খুব খারাপ প্রতিদিন খুনাখুনি হচ্ছে। সে কারনে ক্যাম্পে বেরিয়ে উন্নত জীবনের আশায় সাগরপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিচ্ছিল। ট্রলারে প্রায় দেড়শ জন ছিল।
তারা আরো জানান প্রথমে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে দালালদের মাধ্যমে টেকনাফের একটি পাহাড়ে ৫ দিন ছিল তারা। সেখান থেকে ছোট নৌকা নিয়ে সাগরে থাকা এ ট্রলারে উঠে। এরপর মাঝিরা ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সাগরে তিন দিন ঘুরাঘুরি করে। পরে সাগরে ট্রলারটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উপকূলের কাছকাছি এসে মাঝিমল্লারা ঝাপ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ছোট নৌকায় করে ট্রলারটি টেনে কূলে নিয়ে আসে স্হানীয় জেলেরা।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ জানান সাগরপথে মালয়েশিয়াগামী একটি যাত্রীবাহি ট্রলার টেকনাফে কূলে ফিরে আসার খবর শুনেছি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাগর উপকূলে একটি খালি ট্রলার দেখতে পায় পুলিশ। তিনি জানান পুলিশ পৌঁছার আগেই ট্রলার থেকে নেমে রোহিঙ্গারা সটকে পড়ে।
এ প্রসঙ্গে টেকনাফ কোস্ট গার্ডের স্টেশন কর্মকর্তা লে.কমান্ডার সোলেমান কবির জানান, এ ধরনের একটি সংবাদ আমরা পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাত্রীবিহীন ট্রলারের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আমার খোঁজ খবর নিচ্ছি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর