শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

সাগর দিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ট্রলারসহ দেড়শ রোহিঙ্গা উদ্ধার

নিউজ রুম / ১৫১ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূল থেকে সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে রোহিঙ্গা বোঝাই একটি ট্রলার উদ্ধার হয়েছে। ট্রলারে শিশু ও নারীসহ দেড়শ রোহিঙ্গা ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। ট্রলারটি সাগরে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে তিনদিন ধরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিল।
টেকনাফ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে আজ  বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকালে টেকনাফের সমুদ্র উপকূলে রোহিঙ্গা বোঝাই একটি ট্রলার ভাসতে দেখে স্হানীয় বাংলাদেশী জেলেরা ট্রলারটি আটকে রাখে। পরে দুপুরে স্হানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা সাগরে ভাসমান ট্রলারকে টেনে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে সৈকতে মহেষখালী পাড়া  ঘাটে নিয়ে আসে পুলিশ ও কোস্ট গার্ডকে খবর দেয়। ইতোমধ্যে ট্রলারে থাকা রোহিঙ্গা শিশু ও মহিলারা কান্নাকাটি করে ট্রলার থেকে নেমে পড়ে। পুলিশ ও কোস্ট গার্ড দল আসার আগেই ট্রলার থেকে নামা রোহিঙ্গারা সটকে পড়ে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য জহীর আহমদ মোবাইলে জানান, সাগরে রোহিঙ্গা বোঝাই মালয়েশিয়াগামী একটি ট্রলার ভাসমান দেখে জেলারা টেনে কূলে নিয়ে আসে। ট্রলারে দেড়শ মতো যাত্রী ছিল। সবাই বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বসবাসকারী। এদের মধ্য বেশির ভাগই নারী ও শিশু ছিল। ঘাটে ওই ট্রলারটি এখনো ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। তবে রোহিঙ্গারা যে যার মতো চলে গেছেন। বিষয়টি পুলিশ ও প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
ট্রলার থেকে নামা এক রোহিঙ্গা জানিয়েছে তারা সবাই উখিয়া বালুখালীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।  ক্যাম্পের পরিস্থিতি খুব খারাপ প্রতিদিন খুনাখুনি হচ্ছে। সে কারনে ক্যাম্পে বেরিয়ে উন্নত জীবনের আশায় সাগরপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিচ্ছিল। ট্রলারে প্রায় দেড়শ জন ছিল।
তারা আরো জানান প্রথমে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে দালালদের মাধ্যমে টেকনাফের একটি পাহাড়ে ৫ দিন ছিল তারা। সেখান থেকে ছোট নৌকা নিয়ে সাগরে থাকা এ ট্রলারে উঠে। এরপর মাঝিরা ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সাগরে তিন দিন ঘুরাঘুরি করে। পরে সাগরে ট্রলারটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উপকূলের কাছকাছি এসে মাঝিমল্লারা ঝাপ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ছোট নৌকায় করে ট্রলারটি টেনে কূলে নিয়ে আসে স্হানীয় জেলেরা।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ জানান সাগরপথে মালয়েশিয়াগামী একটি যাত্রীবাহি ট্রলার টেকনাফে কূলে ফিরে আসার খবর শুনেছি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাগর উপকূলে একটি খালি ট্রলার দেখতে পায় পুলিশ। তিনি জানান পুলিশ পৌঁছার আগেই ট্রলার থেকে নেমে রোহিঙ্গারা সটকে পড়ে।
এ প্রসঙ্গে টেকনাফ কোস্ট গার্ডের স্টেশন কর্মকর্তা লে.কমান্ডার সোলেমান কবির জানান, এ ধরনের একটি সংবাদ আমরা পেয়েছি। ঘটনাস্থলে যাত্রীবিহীন ট্রলারের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আমার খোঁজ খবর নিচ্ছি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর