শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

অপহৃত শিশু তিনদিন পর উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ

নিউজ রুম / ১২৯ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

মুক্তিপণের দাবিতে চট্টগ্রামের লোহাগড়া থেকে রোহিঙ্গা কর্মচারি কর্তৃক মালিকের অপহৃত শিশু সন্তানকে কক্সবাজার শহরের আবাসিক কটেজ থেকে তিনদিন পর উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ; এসময় ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ নুর (২১) উখিয়া উপজেলার বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে।
উদ্ধার শিশু আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ (৭) চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া উপজেলার চুনতি বাগান পাড়ার বাসিন্দা ফরিদুল আলমের ছেলে।
পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ ও ভূক্তভোগী শিশুর স্বজনদের বরাতে মাহফুজুল ইসলাম বলেন, গত দেড় থেকে দুই মাস আগে মোহাম্মদ নুর রামু উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা পরিচয়ে শাহ আলমের ব্যক্তি মালিকানাধীন মুরগীর খামারে চাকুরি নেয়। কাজের সুবাধে মালিকের পরিবারের লোকজন ও শিশু আব্দুল্লাহ আল মিনহাজের সঙ্গেও সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই মধ্যে মোহাম্মদ নুরের রোহিঙ্গা নাগরিকের পরিচয় জানতে পারেন মুরগী খামারের মালিক। এ নিয়ে গত ৭ ডিসেম্বর মালিক শাহ আলম চাকুরি বাবদ সব লেনাদেনা পরিশোধ করে তাকে ছাঁটাই করেন।
“ পরদিন ৮ ডিসেম্বর সকালে মোহাম্মদ নুর মালিকের বাড়ীতে রাখা ব্যবহৃত জামা-কাপড় নিতে আসে। এসময় সে মালিকের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মিনহাজকে ট্রেন দেখানোর কথা বলে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে শিশুটিকে নিয়ে মোহাম্মদ নুর কক্সবাজার চলে আসে। “
পুলিশ সুপার বলেন, “ শিশু আব্দুল্লাহ আল মিনহাজকে স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। পরে এ ব্যাপারে চুনতি পুলিশ ফাঁড়িতে নিখোঁজ শিশুর বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এক পর্যায়ে গত ৮ ডিসেম্বর রাতে মিনহাজের বাবা ফরিদুল আলমকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে মোহাম্মদ নুর ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এসময় মুক্তিপণ না দিলে শিশুটিকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। “
“ এ ঘটনার পর ভূক্তভোগী শিশুর বাবা দুই দফায় ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ পরিশোধ করেন। পরে খবরটি কক্সবাজার জেলা পুলিশ অবহিত হওয়ার পর জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। “
মাহফুজুল ইসলাম বলেন, এক পর্যায়ে রোববার ( ১০ ডিসেম্বর ) রাতে অপহৃত শিশুসহ ঘটনায় জড়িত যুবক কক্সবাজার শহরের হোটেল-জোনের আবাসিক কটেজ প্রিন্স রিসোর্টে অবস্থান করার খবরে পুলিশ অভিযান চালায়। এতে কটেজটি থেকে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার এবং জড়িত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। “
উদ্ধার হওয়া শিশুকে স্বজনদের কাছে এবং গ্রেপ্তার যুবককে লোহাগড়া থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান পুলিশ সুপার।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর