শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো রোহিঙ্গাকে ফের খুটাখালীতে এনে আশ্রয়

নিউজ রুম / ১৬৪ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার :

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ২৬নং মৌচনী ক্যাম্পের ডি বøকের শেড নং ৮ এর অধীন ইএনএইচসিআর এর নিবন্ধিত এমআরসি নং ২৫৫২৫- এ ভাতাভোগী রোহিঙ্গা নুর নাহার, স্বামী- মোহাম্মদ রশিদ কে গত ২০২৩ সালের ৬ডিসেম্বর রোহিঙ্গা প্রমানিত করে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নে ৪নং ওয়ার্ডের গর্জনতলী থেকে উচ্ছেদ করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান। ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো উপজেলা প্রশাসনের স্মারক নং- ২০২৩/১৪৩৮ । এদেশের অসহায় অবুঝ মানুষকে টাকা দিয়ে তারা জন্ম নিবন্ধন ও এনআইডি করেছিল। অভিযানের সময় নির্ভাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাদের সকল নিবন্ধন ও এনআইডি জব্দ করলেও রহস্যজনক কারনে তা এখনো বাতিলের আদেশ দেননি প্রশাসন। উচ্ছেদ পূর্বক ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো রোহিঙ্গা নুর নাহার পরিবারকে ফের ২মাসের মাথায় খুটাখালীতে এনে আশ্রয় দিয়েছেন গর্জনতলী এলাকার আবদুল গণির ছেলে আবদুল খালেক ও তার ছেলে শাকিবুল হাসান শোয়াইব, খালেকের মা হাজেরা খাতুন, আলী হোছনের মেয়ে পারেছা বেগম, গিয়াস উদ্দিন, কবির হোছনের মেয়ে রোজিনা আক্তার ও ছারি ঘোনার বাসিন্দা আমির হামজা লালুর মেয়ে বেবী আক্তার সহ আরো ১০/১২ জন লোক জড়িত রয়েছেন। জড়িতরা মানেন না দেশের প্রচলিত আইন-কানুন। তারা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে সেই রোহিঙ্গা নুর নাহারকে খুটাখালীতে এনে আবারও ইয়াবা ব্যবসার প্রক্রিয়া শুরু করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি উচ্ছেদকৃত এবং উপজেলা ও বন প্রশাসনের জব্দকৃত রিজার্ভ বন ভূমির নির্মিত বাড়িটি ফের দখল নিতে নানান প্রক্রিয়া সহ প্রতিনিয়ত বাড়িটির আশে পাশে মহড়া দিয়ে লেগে আছে। এমনকি তারা স্থানীয় নিরহ ও অসহায় নুর জাহান পরিবারকে বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন বেশ কয়েকটি মামলা ও অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করে চলছে। নুর জাহানের মেয়ে রমিদা আক্তার জানান, সংরক্ষিত বনের পাহাড় কেটে রোহিঙ্গা নুর নাহার তার কালো টাকার লালিত সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে ঘর নির্মাণকালে কিছু সংবাদকর্মীর াসাথে তর্কে জড়িয়ে যায়। পরে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রæয়ারী বন বিভাগ ঘরটি উচ্ছেদের অভিযান চলাকালে উল্টো বন কর্মকর্তা ও কর্মীর উপর হামলা চালায় তারা। এসময় বন বিভাগ ৩৫ রাউন্ড মত গুলি ছুটেন। এরপরও এক বন কর্মকর্তা মাথা ও কপাল ফেটে যাওয়ায় সে আমাদের বাড়ির দিকে দৌড়ে আসলে, আমরা তাকে পানি আর একটি কাপড় দিয়ে সহযোগীতা করি। তখন থেকে আমার পরিবারের উপর উচ্ছেদের দায়ভার চাপিয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা , অভিযোগ, হামলা সহ বিভিন্নভাবে অদ্যবধি পর্যন্ত ২০ লক্ষাধিক মত টাকা খরচ করিয়েছে। ফলে আমরা আর্থিক ভাবে এখন সবর্ শান্ত হয়ে পড়েছি। রোহিঙ্গা আশ্রয়দাতারা এখন আমাদের যে কাউকে, যে কোন সময়, যে কোন মুহুর্তে অবৈধ জিনিস দিয়ে গ্রেফতার কিংবা খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন তারা। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফকরুল ইসলাম বলেন, উচ্ছেদকৃত রোহিঙ্গাকে যারা আশ্রয় দিচ্ছেন তারা কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়। শীঘ্রই আমি জব্দকৃত বাড়িতে আসব এবং আশ্রয়দাতা কারা তাদের সঙ্গে কথা বলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর