শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

শিউলি কটেজের দুই কর্মকর্তা গ্রেফতার

নিউজ রুম / ১৪০ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন

বিড়ি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারে শহরে কলাতলী জোনের শিউলি কটেজে ৪ পর্যটককে অপহরণ করে টাকা আদায়ের ঘটনায় দায়ের হওয়ায় মামলায় ওই কটেজের দুই কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছে ট্যুরিষ্ট পুলিশ।
শনিবার রাত ১১ টায় পৌরসভার হোটেল মোটেল জোনের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
তরা হলেন, ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খান ঘোনা গ্রামের নুরুল আজিমের ছেলে রাশেদুল ইসলাম(২৫), ও একই ইউনিয়নের বামন খাটা গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে মোঃ সাকিল(২২)। তারা শিউল কটেজের পরিচালনার সাথে জড়িত।
কক্সবাজার ট্যুরিষ্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, ৭ আগষ্ট শিউলি কটেজ থেকে ৪ পর্যটককে উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় উদ্ধার হওয়া পর্যটক সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ ডিককুল গ্রামের মৃত রশিদ আহমদের ছেলে কক্সবাজার সদর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। মামলাটি তদন্তভারের দায়িত্ব পান ট্যুরিস্ট পুলিশের এস আই হামিদ ।
এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হামিদ বলেন, তদন্ত নেমে আমরা ঘটনার সাথে জড়িত কয়েকজনকে চিহ্নিত করতে সক্ষম হই। তারমধ্যে সরাসরি জড়িত দুইজন আসামীকে শনিবার রাতে গ্রেফতার করি।
তিনি আরো বলেন, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের সাথে আরো ৮/১০ জন জড়িত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা পর্যটকদের বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে এই কটেজে এনে নারী, মাদক দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে আসছে বলে প্রাথমিক স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তারা পর্যটকদের আপত্তিকর ছবি ধারণ করে রাখে এবং ভয় ভীতি দেখায় যে কোথাও অভিযোগ দিলে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়া হবে। যার কারণে ভুক্তভোগীরা কেউ অভিযোগ দেয় না।
ট্যুরিষ্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, পর্যটক অপহরণ ও ব্ল্যাক মেইলের সাথে জড়িত একটি বড় দালাল সিন্ডিকেটের তথ্য পাওয়া গেছে। এর সাথে ক্ষমতাসীন দলের ওয়ার্ড পরযায়ের কিছু নেতা জড়িত বলে আমরা জানতে পেরেছি।
তদন্তে যাদেরই সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর