শিরোনাম :
চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাচারিতার চর্চা ও আইনী চর্চা

নিউজ রুম / ৪৪৯ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী :
এক সময় বলা হতো শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড । আর এখন বলা হচ্ছে শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড কথাটি যথার্থ নয়, বরং সুশিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড ।
একদা শিক্ষকের শাসনে বাধা ছিলনা , এখন কিন্তু শাসনে বাধা তো আছেই অধিকন্ত শিক্ষার্থীরাও শাসন করে শিক্ষককে। জাতিগতভাবে বাঙালী বহুমাত্রিক , মিশ্র ও শংকর প্রকৃতির জাতি । জাতিগতভাবে আমরা পরশ্রীকাতর ও পর অনুকরনশীল স্বভাব দোষেও আক্রান্ত । ক্ষমতার চাদর -হাওয়া গায়ে লাগলে ধরাকে সরা জ্ঞান থেকে শুরু করে ব্যাঙ বা বেলুন ফুলার মতো বেগতিক অবস্থা , কাণ্ডজ্ঞানহীন আচার-আচরণ ।
স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পেরিয়েও আমরা দেশে একটি সর্বজনীন , যুগোপযোগী , স্থির , শিক্ষা নীতি পাইনি ; পাইনি আমরা সুষ্ঠু , সুন্দর দীর্ঘ মেয়াদী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা ।
ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আজ ক্ষমতার অপব্যবহার , স্বেচ্ছারীতা ও আধিপত্যবাদের ছত্র ছায়ায় অনিয়ম , দূর্নীতিসহ নানা অনিয়মের বাসা বেঁধেছে ।
তুলনামূলকভাবে যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি / গভর্নিং বডির সভাপতি পদে সরকারি আমলারা বিধি সম্মতভাবে কিংবা পদাধিকার বলে সভাপতি হিসেবে থাকেন , সে সব প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম , দূর্নীতি , স্বেচ্ছাচারীমূলক কর্ম কাণ্ড সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম এবং শিক্ষক গ্রুপিং ও সংক্ষুব্ধতা তুলনামূলকভাবে কম। পক্ষান্তরে যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান — সহজ , সরল প্রকৃতির এবং পরনির্ভরশীল টাইপের হয় আর সভাপতি আমলা না হয়ে রাজনৈতিক দলের লোক বা সাধারণ পাবলিক হয় , তা হলে তো আর কথা নেই । সেখানে স্বেচ্ছাচারি , স্বৈরাচারী , শিক্ষক গ্রুপিং , শিক্ষক সংক্ষুব্ধতা , অনিয়ম , দর্নীতি চর্চার হিড়িক পড়ে ।
জেলার অন্তর্গত প্রায় অর্ধশতাধিক স্কুল , কলেজ , মাদরাসা — যে গুলোতে প্রধান শিক্ষক , সুপার , অধ্যক্ষ এর পদ অবসর জনিধত কারণে বা অন্য কোন কারণে পদ শূন্য হয়েছে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই ভার প্রাপ্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছ সহকারী প্রধান , সহসুপার , ভাইস প্রিন্সিপাল ( ভাইস প্রিন্সিপাল না থাকলে) জ্যৈষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে সিনয়র সহকারী অধ্যাপক বা সিনিয়র প্রভাষক কে দায়িত্ব প্রদান কারর বিধান , রেওয়াজ প্রমাণিত ও স্বীকৃত।
যুগোপযোগী পরিতাপের বিষয় যে , প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের কুকীর্তি ধামাচাপা ও সহজ সরল মানুষদের চোখে রঙিন চশমা পরিয়ে নানা ষড়যন্ত্রসহ অপকৌশলের মাধমে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিধি , প্রো বিধি , নীতিমালা , পরিপত্র , রেওয়াজি বিধান ইত্যাদিকে আড়ালে রেখে , অপ ব্যাখ্যা দিয়ে জ্যৈষ্ঠতা লঙ্কঘন করে , সিনিয়র শিক্ষককে ডিঙিয়ে জুনিয়র শিক্ষককে ভার প্রাপ্ত দায়িত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ দিনের গড়ে ওঠা (চেইন অব কমান্ড ) ভাবমূর্তি , বিশৃঙ্খলার বীজ বপন করা হচ্ছে । যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ পুরো শিক্ষক সমাজেকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পরিবর্তে অন্ধকারের দিকে ধাবিত করছে ।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর