শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

সিডিএ জনবলসংকট, অপরিকল্পিত স্থাপনায় বাড়ছে নগরে ঝুঁকি

নিউজ রুম / ১৩০ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
জনবলসংকটে হিমশিম খাচ্ছে নগর উন্নয়নে নিয়োজিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। গত দুই দশকে সিডিএ থেকে অনেক স্থপতি, প্রকৌশলী, পরিকল্পনাবিদ অবসর গ্রহণ করেছেন।
দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামের এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০০ জনের মতো কাজ করলেও জনবল সংকট রয়েছে ৬০০ জনের বেশি। সীমিত লোকবলের কারণে অতিরিক্ত কাজের চাপে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে না সেবা প্রতিষ্ঠানটি।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম শহরের উন্নয়নে ১৯৯৫ সালের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হলেও তা বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত লোকবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সিডিএতে আর্কিটেক্ট আছে মাত্র একজন। দুটি অথরাইজড কমিটির একটিতেও আর্কিটেক্ট নেই। আর্কিটেক্ট ছাড়া অথরাইজড কমিটি কীভাবে প্ল্যান অনুমোদন দেয়, সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ। বিল্ডিং পরিদর্শক আছে মাত্র তিনজন। ফলে এই নির্মাণে নকশার ব্যত্যয় হচ্ছে। বিল্ডিংয়ের নকশা অনুমোদনে অনেক সময় বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে নগরীর চট্টগ্রাম ইতিমধ্যেই এক অপরিকল্পিত নগরীতে পরিণত হয়েছে। এদিকে বিল্ডিং কোড না মেনে গড়ে উঠেছে নগরীর অসংখ্য ভবনগুলো, রয়েছে ঝুঁকিতেও। বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোাগ হলে ঘটতে পারে বিপদজনক ঘটনা। গত ২২ বছরে সিডিএ থেকে ১২ জন স্থাপত্য প্রকৌশলী অবসর নিয়েছেন। কিন্তু নিয়োগ দেওয়া হয়নি একজনও। এতে একজনকে অনেকগুলো প্রকল্পের দায়িত্ব পালন করতে হয়। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প তৈরির জন্য কমপক্ষে তিনবছর স্টাডি করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু মাত্র সাত দিনের মধ্যে তড়িঘড়ি করে এই প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনীকে প্রকল্পে যুক্ত করায় প্রকল্পটি অনেকটা সাফল্যের মুখ দেখেছে, তবে সুফল এখনও জনগণ পায়নি। সিডিএর প্ল্যানিং ইউনিটে চিফ টাউন প্ল্যানারের জায়গায় পরিকল্পনাবিদের পরিবর্তে কাজ করছেন প্রকৌশলী। প্ল্যানারের কাজ কখনো আর্কিটেক্ট বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার করতে পারেন না। টাউন প্ল্যানারের ১১টি পদের বিপরীতে কাজ করছেন মাত্র সাত জন। কর্মরত জনশক্তি প্রায় ৩০০ জন। সিডিএতে কর্মরত কোয়ালিফাইড আর্কিটেক্ট আছে এক জন। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমেও কাজ করানো হয়। প্ল্যান অনুমোদনের বিষয়টি শুধু আর্কিটেক্টের ওপর ন্যস্ত নয়। ঐ বিষয়ে কাজ করেন ইমারত নির্মাণ কমিটি।
সিডিএকে আরও বেশি জনবান্ধব করতে দক্ষ জনবলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম। তিনি বলেন, সিডিএ’র লোকবল নিয়োগের প্রক্রিয়া অচিরেই শুরু হবে। এ ব্যাপারে রবিবার ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেছি। আমরা শতভাগ আন্তরিকতা দিয়ে চেষ্টা করব, যাতে দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া যায়। সিডিএ এখন উন্নতির দিকে যাবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর