শিরোনাম :
কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ চ্যানেল ওয়ানের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন এফ এম সুমন উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা ইংরেজি অলিম্পিয়াডে যুক্তরাজ্য হতে সমুদ্রকন্যা ফিরলেন মেডেল হাতে

উখিয়ায় ৪ ইটভাটায় জরিমানার পর আরও ৩টির চুল্লী গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

নিউজ রুম / ১১৬ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন

সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার :
কক্সবাজারে উখিয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স বিহীন ও বনের কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানোর দায়ে তিনটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
জানাগেছে, উখিয়া উপজেলার রিম, জিএসকে এবং এমকেকে ইটভাটা গুলো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স ছাড়াই কাঠ দিয়ে ইট পুড়িয়ে আসছে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে  উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী ওই ইটভাটা গুলোয় অভিযান চালিয়ে ইটভাটা গুলো ভেকু মেশিন দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) যারীন তাসনিম তাসিন, উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমান, ফায়ার সর্ভিস, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, অভিযোগ রয়েছে অনুমোদনহীন ইট ভাটাগুলোতে পোড়ানো হয় বনের কাঠ। এতে করে একদিকে পাহাড়ের বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে, আরেকদিকে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। তাই লাইসেন্সবিহীন ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে। মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের রিম, জিএসকে এবং এমকেকে ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত রোববার হলদিয়াপালং ও রত্নাপালং ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে এমআরসি ব্রিকসের মালিককে ৭০ হাজার এবং আফিফা ব্রিকসের মালিককে ৩০ হাজার এবং সোমবার একই অভিযোগে হলদিয়ার এবিপি ব্রিকসের মালিক আব্দুল গফুর ও গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া এলাকার এইচকেবি ব্রিকস মালিককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড  করা হয়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর