শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

উখিয়ায় ৪ ইটভাটায় জরিমানার পর আরও ৩টির চুল্লী গুড়িয়ে দিল প্রশাসন

নিউজ রুম / ৯৭ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার :
কক্সবাজারে উখিয়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স বিহীন ও বনের কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানোর দায়ে তিনটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
জানাগেছে, উখিয়া উপজেলার রিম, জিএসকে এবং এমকেকে ইটভাটা গুলো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স ছাড়াই কাঠ দিয়ে ইট পুড়িয়ে আসছে।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে  উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী ওই ইটভাটা গুলোয় অভিযান চালিয়ে ইটভাটা গুলো ভেকু মেশিন দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) যারীন তাসনিম তাসিন, উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমান, ফায়ার সর্ভিস, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, অভিযোগ রয়েছে অনুমোদনহীন ইট ভাটাগুলোতে পোড়ানো হয় বনের কাঠ। এতে করে একদিকে পাহাড়ের বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে, আরেকদিকে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। তাই লাইসেন্সবিহীন ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে। মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে হলদিয়াপালং ইউনিয়নের রিম, জিএসকে এবং এমকেকে ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত রোববার হলদিয়াপালং ও রত্নাপালং ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে এমআরসি ব্রিকসের মালিককে ৭০ হাজার এবং আফিফা ব্রিকসের মালিককে ৩০ হাজার এবং সোমবার একই অভিযোগে হলদিয়ার এবিপি ব্রিকসের মালিক আব্দুল গফুর ও গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া এলাকার এইচকেবি ব্রিকস মালিককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড  করা হয়।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর