শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

আবারো ৭ দিনের রিমান্ডে পেকুয়া নেওয়া হচ্ছে জাফর আলমকে, নিরাপত্তার শঙ্কা

নিউজ রুম / ৭৯ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে চকরিয়া থানায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে পেকুয়া থানায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বুধবার (২ জুলাই) একটি মামলার রিমান্ড শুনানি শেষে তাঁকে ৭দিনের রিমান্ডে জন্য পেকুয়া পাঠানো হচ্ছে বলে আদালত সুত্রে জানা গেছে ।

গত ১৮ জুন চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আদালত, চকরিয়া থানার পাঁচটি এবং পেকুয়া থানার দুইটি মামলায় মোট ১৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। এর মধ্যে চকরিয়ার পাঁচটি মামলায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে হয়েছে। আজ বুধবার পেকুয়ার ৩টি মামলায় তাঁকে ৭ দিনের রিমান্ডে পেকুয়া থানায় নেওয়া হবে।

এদিকে সাবেক এমপি জাফর আলমরে আদালতে হাজির করার খবরে আদলত প্রাঙ্গনে কয়েক দফা উত্তেজনা দেখা দেয়। গত ১৮ মে, ২১ মে এবং ১৮ জুন চকরিয়া আদালত প্রাঙ্গণে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে। অপরদিকে, ১৮ জুন এমপি জাফরের মুক্তির দাবিতে মিছিল করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, জাফর আলমকে প্রথমে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে পেকুয়া থানায় না নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে হঠাৎ করেই সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁকে পেকুয়া নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, গোয়েন্দা প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে তাঁকে পেকুয়া থানায় নেওয়া হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। তাঁর নিরাপত্তা ঝূঁকি রয়েছে।

জাফর আলমের পরিবারের দাবি, ৬৯ বছর বয়সী, পিত্তথলি অপসারণ করা এবং উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসে ভুগছেন—এমন একজন সিনিয়র সিটিজেন ও সাবেক এমপিকে টানা ২১ দিন রিমান্ডে রাখা অমানবিক ও নজিরবিহীন। তাঁদের অভিযোগ, একজন প্রভাবশালী সিনিয়র নেতার প্রভাবে আদালত ও প্রশাসন বিবেকবর্জিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরিবার আরও জানায়, পেকুয়া থানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। বিশ্বস্ত সূত্রে তারা জানতে পেরেছে, রিমান্ড চলাকালে বিএনপি ও যুবদলের দুইজন সিনিয়র নেতা থানায় প্রবেশ করে মব সন্ত্রাস চালানোর পরিকল্পনা করেছে। থানাটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের বাড়ির নিকটবর্তী হওয়াও নিরাপত্তা ঝুঁকির একটি বড় কারণ বলে মনে করছেন তাঁরা।

এ ছাড়া পেকুয়ায় কোনো মানসম্পন্ন হাসপাতাল না থাকায় জাফর আলমের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এমপি জাফরের পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে জেলগেটে অথবা প্রয়োজনে চকরিয়া বা কক্সবাজার সদর থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবী জানানো হয়।

উল্লেখ্য ইতোপূর্বে ঢাকার পল্টন থানার একটি হত্যা মামলায় ৪দিনের রিমান্ড দিয়েছিলেন ঢাকার একটি আদালত।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর