শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

উগ্রবাদ ও সহিংসতা নিরসনে পরিবার থেকেই উদ্যোগ শুরু করা দরকার

নিউজ রুম / ১৪৫ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

রাসেল আজিজ :আমাদের তরুণসমাজ অনেক সম্ভাবনাময়। তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে হবে। তরুণদের ইচ্ছে, স্বপ্ন, চিন্তা ও মতামত আমাদের জানতে হবে।
তাদের ইচ্ছে ও চাহিদার কথা শুনলে সহিংস উগ্রবাদের সঙ্গে জড়িত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যাবে। তরুণদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেন তারা উগ্রবাদের দিকে না যায়। সহিংস উগ্রবাদ রোধ করতে পরিবার থেকেই উদ্যোগ শুরু করা দরকার। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) অরুণোদয় স্কুল মিলনায়তনে চট্টগ্রাম বিভাগের জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ কার্যক্রমকে স্থায়ীত্বশীলতা দানের লক্ষ্যে বর্ধিতকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেইজমেন্ট এন্ড রিজিলিয়েন্স ফান্ডের সহযোগিতায় ইপসা সিভিক প্রকল্প আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (মানবসম্পদ ও উন্নয়ন) মো. নাসিম আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইপসা’র পরিচালক (অর্থ) পলাশ কুমার চৌধুরী, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল ইসলাম ও ইপসা’র প্রধান নির্বাহী আরিফুর রহমান।
ইপসা সিভিক প্রকল্পের নানা কার্যক্রম প্রেজেন্টেশন করেন টিম লিডার খালেদা বেগম। এতে বলা হয়,
ইপসা জুলাই ২০১৬ থেকে ৩১ আগস্ট ২০১১ইং পর্যন্ত জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ” শীৰ্ষক প্ৰকল্প বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার ৮টি উপজেলার আওতায় ৪টি পৌরসভা ৭১টি ইউনিয়নে উপবাদ ও সহিংসতা নিরসন, সামাজিক সাম্যতা বজায় রাখা, বেকারত্ব দূরীকরণ, ও যুব সম্প্রদায়ের মানসিক সুস্থ বিকাশকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রাধান্য দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে পুরো জেলায় বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এবং যুব, মহিলা, শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর