শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

জেলিফিশে ছেয়ে গেছে সৈকতের শৈবাল পয়েন্ট

নিউজ রুম / ১৩৬ বার পড়ছে
আপলোড : রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক

প্রতিবছর সৈকতে জেলিফিশ ভেসে আসলে এ বছর তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি জেলিফিশ ভেসে এসেছে। বছরের শেষের দিকে সৈকতে দফায় দফায় জেলিফিশের দেখা মিলছে। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সৈকতের শৈবাল পয়েন্টে আবারো ভেসে এলো অসংখ্য জেলিফিশ।
এদিন সকালে জোয়ারের পানিতে জেলিফিশগুলো ভেসে এসেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈকতে দায়িত্বরত বিচকর্মী মো. বেলাল হোসেন।
তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে টানা জালে আটকে পড়ে মারা যায় জেলিফিশগুলো। টানা জাল থেকে জেলেদের ফেলে দেওয়া মৃত জেলিফিশ ভাসতে ভাসতে সৈকতে চলে আসে।
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সমুদ্র বিজ্ঞানী সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার জানান, কক্সবাজার সমুদ্রের জেলিফিশের প্রজন্ম বেশি। কিন্তু জেলেদের কাছে এ মাছের কোনো গুরুত্ব না থাকায় মেরে ফেলেন। মরে যাওয়া মাছগুলো কূলে ভেসে আসে। ভেসে আসা জেলিফিশে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
তিনি আরও জানান, লোবোনিমুইডিস রোবোস্টাস বা স্থানীয় ভাষায় সাদা নুইন্না প্রজাতির এই জেলিফিশের সংস্পর্শে গেলে কোনো ধরণের ক্ষতি হয় না। বরং প্রক্রিয়া করা গেলে খাদ্য হিসেবে বেশ উপযোগী জেলিফিশ। এটি নিয়ে গবেষণা চলছে।
স্থানীয় ভাষায় জেলিফিশকে ‘নুইন্না’ বলে সম্বোধন করা হয়। হাবিবুর রহমান নামের এক জেলে জানান, কক্সবাজারের মানুষ জেলিফিশ খায় না। এগুলো বেচাকেনাও হয় না। ফলে এসব আমাদের কোনো কাজে আসে না। বরং কিছু প্রজাতির জেলিফিশ গায়ে লাগলে মারাত্মকভাবে চুলকায়। তাই এসব জালে আটকা পড়লে আমরা ফেলে দেই।
গেল ৩ ও ৪ আগস্ট ও ১১ নভেম্বর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিপুল সংখ্যক জেলিফিশ ভেসে এসেছিল। এসব জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণা করে
বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিওআরআইর) সমুদ্র বিজ্ঞানীরা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর