শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

হত্যা মামলায় বাবা-মা ও ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড

নিউজ রুম / ২৪০ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

বিডি আদালত প্রতিরবদক :
কক্সবাজারের টেকনাফে আব্দুল করিম নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় বাবা-মা ও ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
এসময় প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ( পঞ্চম আদালত ) নিশাত সুলতানার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানান কক্সবাজারের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হল- টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকার মো. মকবুলের ছেলে মো. মঞ্জুর ওরফে কল মঞ্জুর, তার ছেলে মো. ফোরকান ও স্ত্রী আমিনা খাতুন।
রায় ঘোষণার সময় মো. মঞ্জুর ও আমিন খাতুন আদালতে উপস্থিত থাকলেও অপর আসামি মো. ফোরকান পলাতক রয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী।
মামলার নথির বরাতে ফরিদুল আলম বলেন, গত ২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকায় নিজের বসত ভিটায় মুরগীর ঘর দেখাশোনা করছিলেন আব্দুল করিম। এসময় পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে অবস্থা অবনতি হলে তাকে তৎসময়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করেন। ওই বছর পরদিন (২৮ আগস্ট) সকালে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল করিম মারা যান।

রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী বলেন, গত ২০১৯ সালের ২৯ আগস্ট ঘটনায় নিহতের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে মো. ফোরকান, তার বাবা মো. মঞ্জুর ওরফে কল ও মা আমিনা খাতুনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে গত ২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা আদালতে চার্জশীট জমা দেন। এ নিয়ে গত ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর (চার্জগঠন) আদেশ দেন।

ফরিদুল বলেন, মঙ্গলবার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়া প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় মামলা প্রধান আসামি মো. ফোরকান পলাতক থাকলেও অপর দুইজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান পিপি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর