শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

‘সন্দেহের জের ধরে স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যা করে জেমিন

নিউজ রুম / ১১১ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

আলম নুরুল :
কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার সী আলিফ হোটেলে স্ত্রী সুমা দে ও ৮ মাস বয়সী কন্যা শিশুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে জেমিন বিশ্বাস। স্ত্রীর প্রতি সন্দেহের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যার ঘটনাটি সংগঠিত করা হয়। নিহতের ভাই বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছে কক্সবাজার মডেল থানায়।
শনিবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় কক্সবাজার সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন, কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম।

রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জেমিন বিশ্বাস চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের বানীগ্রামের দুলাল বিশ্বাসের ছেলে। গত ৩ মাস আগে ওমান গিয়ে গত ৫ ফেব্রæয়ারি দেশে ফিরেন জেমিন। নানা কারণে স্ত্রীর প্রতি সন্দেহ এবং ছোট্ট মেয়েকের পিতৃত্ব নিয়ে সন্দেহের জের ধরে এ হত্যাকান্ড সংগঠিত করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে জেমিন। জেমিন জানিয়েছে ১৬ ফেব্রæয়ারি সকালে বড় ২ মেয়েকে নাস্তার কথা বলে নিচে নামিয়ে স্ত্রীকে শ্বাস রোধ করে হত্যার পর ৮ মাসের মেয়েকে পানিতে ডুবিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা। এরপর ২ মেয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় সে।
এএসপি জানান, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে জেমিনকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তারের পর কক্সবাজার আনা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বাকলিয়া থানা এলাকার শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন মার্শা পরিবহন সার্ভিসের কাউন্টারের সামনে থেকে জেমিনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে এর আগে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার ওসি মো. আব্দুর রহিম।
নিহত সুমা দে বাঁশখালী উপজেলার নাথপুরা এলাকার শচীন্দ্র দে’র মেয়ে। সুমার কোন নিকটাত্মীয় নেই আর জেমিনের খালাত বোনের স্বামী সৈকত দাশ ময়নাতদন্ত শেষে ২ জনের মরদেহ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. রফিকুল ইসলাম।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম পিপিএম জানিয়েছেন, নিহত সুমা দেব এর দুই কন্যা বর্তমানে পুলিশ হেফাজত রয়েছে। তাদের সাথে তাদের দাদী ও রয়েছে।
একই সাথে এ ব্যাপারে শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার মডেল থানায় নিহতের ভাই প্রিয় রঞ্জন বাদী হয়ে
একটি হত্যা মামলা অজু করে ও বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

শুক্রুবার দুপুর আড়াইটায় কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকার আবাসিক হোটেল সি আলিফ এর ৪১১ নম্বর কক্ষ থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর