বিডি প্রতিবেদক :
বঙ্গোপসাগরে জেলেদের কুপিয়ে আহত ও ৫ জেলে নিখোঁজের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সালাম চৌধুরী। গ্রেপ্তার আলিম নূর ওরফে আলমগীর (৩৯) খুরুশকুল মনুপাড়ার মোহাম্মদ হাসেমের ছেলে।
র্যাবের সহকারী পরিচালক মো. আবু সালাম চৌধুরী জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বরগুনার বঙ্গোপসাগরে মালিকানাধীন এফবি ভাই ভাই নামীয় মাছ ধরার ট্রলার পটুয়াখালীর মহিপুর থানা এলাকা হতে যাত্রা করে। ট্রলারটি ৮/৯ ঘণ্টা চলার পর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী থানাধীন সোনার চরের পূর্ব পার্শ্বে বঙ্গোপসাগরের গভীর জলরাশিতে পৌঁছলে পিছন দিক থেকে ২০/২৫ জনের জলদস্যু বোঝাই ট্রলার সেটিতে ধাক্কা দিয়ে গতিরোধ করে ডাকাতি ও লুটতরাজ করে। জলদস্যুরা সকল মাঝির এলোপাথারি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মাঝিদের টাকা, জাল, জ্বালানি তৈল ও সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।
জলদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নয় জন জেলে লাফ দিয়ে নিখোঁজ হয়। এতে চারজন জেলে ফিরে আসে এবং বাকি পাঁচজন জেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় রাঙ্গাবালী থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। অপরাধীরা গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে চলে যায়।
তিনি আরও জানান, শনিবার রাতে খুরুশকুল এলাকা থেকে একজন সন্দেহভাজন জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত ব্যক্তি তার সহযোগী অপরাধীদের নিয়ে সমুদ্র এলাকায় চলাচলকারী নৌযানে ডাকাতি, অপহরণপূর্বক মুক্তিপণ দাবি, গুম, হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করে থাকে।
গ্রেপ্তার জলদস্যুর বিরুদ্ধে রুজুকৃত ডাকাতি মামলায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।