শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

নাফনদীতে বিজিবির অভিযানে দুই লক্ষ পিস ইয়াবা উদ্ধার

নিউজ রুম / ১১১ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা নাফনদীতে অভিযান চালিয়ে ২ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান,শুক্রবার (১৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ হ্নীলা বিওপি’র একটি সীমান্ত সুরক্ষা টহলদল দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১৩ থেকে আনুমানিক ১কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে শশ্মানঘাট এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। কিছুক্ষণপর বিজিবি টহলদল মায়ানমার থেকে একটি কাঠের নৌকা যোগে ৩/৪ জন ব্যক্তিকে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নাফনদীর কিনারায় কিছু বস্তা নামাতে দেখে। এতে বিজিবি টহলদল নৌকাটিকে চ্যালেঞ্জ করলে নৌকায় অবস্থানরত চোরাকারবারীরা বিজিবি’র চ্যালেঞ্জকে উপেক্ষা করে নৌকা নিয়ে মায়ানমার সীমান্তের দিকে চলে যেতে থাকলে বিজিবি টহলদলের মধ্য হতে একজন বিজিবি সদস্য ফায়ার করে তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করে। এসময় সশস্ত্র চোরাকারবারীরাও বিজিবি টহলদলকে লক্ষ্য করে ৪/৫ রাউন্ড গুলি করে মায়ানমারের অভ্যন্তরে নাফফোড়া দ্বীপের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল বর্ণিত স্থানে গমন করে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া দু’টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত বস্তার ভিতর থেকে ২ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট (মালিকবিহীন অবস্থায়) জব্দ করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে টহলদল কর্তৃক ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারি কিংবা তার সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ওই স্থানে অন্য কোনো অসামরিক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি বিধায় চোরাকারবারিকে শনাক্ত করাও সম্ভব হয়নি। তবে চোরাকারবারিকে শনাক্ত করার জন্য এই ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরো জানান, জব্দকৃত মালিকবিহীন ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো বর্তমানে ব্যাটালিয়ন সদরের স্টোরে জমা রাখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম শেষে তা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর