বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের নাজিরারটেক উপকূলের ট্রলার থেকে ১০ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে কক্সবাজারের মহেশখালী পৌরসভার ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র খায়ের হোসেন কে আটক করে,৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত এক আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সাগরে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতারকৃত কাউন্সিলর এর সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ।
শনিবার রাতে মহেশখালী থানার একদল পুলিশ, মহেশখালী পৌরসভার চরপাড়া এলাকা থেকে ওই এলাকার কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র খায়র হোসেনকে গ্রেপ্তার করে বলে জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
১০ মৃতদেহ উদ্ধার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস জানান, মহেশখালী পৌরসভার প্যানেল মেয়র খাইর হোসেনকে
কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ এর আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে, আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামি গিয়াস উদ্দিন মনিরের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে মহেশখালী পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর খায়ের হোসেনের নাম আসে। সে কারণে পুলিশ তাকে আটক করে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম পিপিএম জানিয়েছেন, ১০ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৭ জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মামলার এজাহার ভুক্ত এক নম্বর আসামি কামাল হোসেন ওরফে বাইট্টা কামাল, করিম শিকদার, আবু তৈয়ব, ফজল কাদের ও গিয়াস উদ্দিন মুনির আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন। রিমান্ড শেষে ৬ আসামী বর্তমানে কক্সবাজার জেলা কারাগারে আছেন।
২৩ এপ্রিল কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক পয়েন্টে একটি মাছ ধরার ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১০ স্ত্রী মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে উদ্ধার হওয়া ট্রলারের নিহত মালিক মহেশখালীর হোয়ানক ছনখোলা পাড়া গ্রামের শামসু মাঝির স্ত্রী রোকেয়া আক্তার।