শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

সৈকতে এখনো লাল পতাকা

নিউজ রুম / ১৩১ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূল অতিক্রম করে মিয়ানমারে চলে গেছে। কিন্তু কক্সবাজার সৈকতে এখনো উঠেছে লাল পতাকা। নেই তেমন কোন পর্যটক। সেই সাথে রয়েছি বিশাল আকারের ঢেউ। সতর্ক সংকেত না থাকলেও সাগর রয়েছে উত্তাল। পর্যটন ও সৈকত কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে পর্যটকদের জন্য।
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে ১০ নাম্বার মহা বিপদ সংকেত সহ নানা ঝট জামেলা গেছে কক্সবাজার সৈকতের উপর দিয়ে। টেকনাফ উপকূল অতিক্রম করে ঘূর্ণিঝড় মিয়ানমারে। এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় বেশ কয়েকদিন সাগরে নামতে পারেনি পর্যটকরা। তারপর ঘূর্ণিঝড়ের আগে থেকে পর্যটকদের জন্য সৈকত নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পর্যটন কেন্দ্রিক সেবা বন্ধ করে দেয়ার পর ঘূর্ণিঝড় দেখতে আসা পর্যটকরাও চলে যায় কক্সবাজার ছেড়ে।
ফলে পর্যটক শূন্য ছিল কক্সবাজার সৈকত। ঘূর্ণিঝড় চলে যাওয়ার পর এখন সবকিছু স্বাভাবিক হলেও সাগর এখনো উত্তল রয়েছে।
সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা, লাবনী, কলাতলী ও সীগাল পয়েন্টে সোমবার সকালেও বিকেলে গিয়ে দেখা যায়, বাইরের কোন পর্যটক নেই, স্থানীয়রা দেখতে এসেছেন সৈকতের অবস্থা। এ সময় দেখা যায় , সৈকত কেন্দ্রিক বিভিন্ন পর্যটন সেবার জিনিসপত্রগুলো গোছানো হচ্ছে। কামাল হোসেন, ফরিদুল আলম, মোশারফ হোসেন, কি করছো গুরু মুছে বসানোর সময় তারা বলেন, দুই দিন কোন ব্যবসা হয়নি। আজকে সতর্ক সংকেত না থাকার কারণে চেয়ারগুলো বসাচ্ছি।
সৈকতের ভ্রাম্যমান ফটোগ্রাফার নুরুল আলম বলেন, ছবি তোলা বন্ধ থাকায় পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। আজ সোমবার থেকে আস্তে আস্তে সবগুলো স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে এখনো বাইরের কোন পর্যটক দেখা যাচ্ছে না। স্থানীয়রা এমনি সৈকত আসে কিন্তু আমাদের দিয়ে ছবি উঠায় না।
সি সেফ লাইভগার্ড কর্মী রহিম উল্লাহ, বলেন, সৈকতে আজকে থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও এখনো সাগর উথাল রয়েছে। ফলে আমরা সৈকতের তিনটি পয়েন্টে লাল পতাকা দিয়ে পর্যটকদের সতর্ক করছি। তাই লাল পতাকা উঠছে সৈকতে। এখন পর্যটকরা কোনভাবেই সাগরে নামতে পারবে না।
সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কথা হয় স্থানীয় বাহার ছড়া থেকে আসার রফিকুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে আজ এমনি ঘুরতে আসলাম। যেহেতু বাইরের কোন পর্যটক নাই তাই আমরা আমরাই ঘুরে বেড়াচ্ছি।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরের জন্য কোন সতর্ক সংকেত নেই। সাগর কিছুটা উত্থল থাকলেও মঙ্গলবার বৃষ্টি হওয়ার পর এটি আরো স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
কক্সবাজার হোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম শিকদার বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের মাঝেও কিছু সংখ্যক পর্যটক ছিল। তবে এটি পরিমাণে খুবই কম। যারা ঘূর্ণিঝড় দেখার আগ্রহ নিয়ে এখানে এসেছিল।
তবে সোমবার বিকেলে সৈকতে গিয়ে কক্সবাজারের বাইরের তেমন কোন পর্যটককে দেখা যায়নি। হাতেগোনা কয়েকজন ছিল।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ শাহীন ইমরান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সৈকতে পর্যটকদের যাওয়া আমরা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছিলাম। সতর্ক সংকেত তুলে নেওয়ার ফলে সোমবার থেকে সেটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর