শিরোনাম :
স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ চ্যানেল ওয়ানের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন এফ এম সুমন উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি

২ রোহিঙ্গা মাঝি নিহতের ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ রুম / ১৮০ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারে উখিয়ার বালুখালির জামতলী শরনার্থী শিবিরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই রোহিঙ্গা নিহতের ঘটনায় উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত আবু তালেবের স্ত্রী তৈয়বা খাতুন (৩০)।
বৃহস্পতিবার রাত ১ টায় ৫ জনকে এজাহার নামীয় আসামী ও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলাটি লিপিবদ্ধ হয়।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন,
জামতলি এফডিএমএন ক্যাম্প-১৫ এর সি ব্লকের হেড মাঝি (ব্লকের নেতা) আবু তালেব (৫০) এবং সাবমাঝি সৈয়দ হোসেন (৪৩) এর নিহত হওয়ার ঘটনায় বাদীর দায়ের করা এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। যার নম্বর ৫৩।
এজাহারনামীয় অভিযুক্তরা হলেন, জাফর আলমের ছেলে মাহামুদুল হাসান (২৭), মৃত সোনা আলীর ছেলে সাহ মিয়া(৩২) ও তার ভাই আবুল কালাম @ জাহিদ আলম (২৫), মৃত রশিদ আহম্মেদের ছেলে জাফর আলম (৫৪) ও তার ছেলে মো.সোয়াইব।
এরা সকলেই জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত আবু তালেব জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক সি এর মাঝি এবং সৈয়দ হোসেন সাব মাঝি।
৯ আগষ্ট রাতে তারা প্রতিদিনের ন্যায় কাজকর্ম শেষে ব্লক-সি/৯ এর আছিয়া খাতুনের ঘরের সামনে বাঁশের মাচার উপর বসে ব্লকের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করছিল। সেসময় রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে এজাহার নামীয় আসামী সহ ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা বন্দুকধারী মুখে গামছা বেঁধে তাদেরকে এলোপাতাড়ি গুলি করে। পরে সন্ত্রাসীরা ফাকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়। এতে আবু তালেবের গলায় ২ টি এবং বুকের পাজরে ১ টি ও সাব-মাঝি সৈয়দ হোসেনের গলায় ১টি গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের মৃত্যু হয়।
পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ডাবল মার্ডারের সাথে আবুল কাশেমের ছেলে সাব-মাঝি রেজাউল আলম (৪২), জাফর হোসেনের ছেলে সাব মাঝি মোঃ ইয়াছিন এবং ইসমাঈলের ছেলে (ভলেন্টিয়ার) নুর মোহাম্মদ (৩২) জড়িত রয়েছে বাদী সন্দেহ রয়েছে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোহাম্মদ শিহাব কায়সার বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর