শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

খরুলিয়ার নজির হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন

নিউজ রুম / ১২৯ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সদর উপজেলাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ার লাল গোলাপ কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন হত্যাচেষ্টা মামলায় স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) অবশেষে কারাগারেই যেতে হলো। একই মামলায় তার বড় ভাই আবদুর রশিদ মেম্বার পলাতক রয়েছেন।
গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মামলার প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর ফারুকী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ইয়াছিন আরাফাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহবুবুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সুত্র মতে, ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকার ঘাটপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘লাল গোলাপ’ কমিউনিটি সেন্টারে কোন অনুষ্টান হলেই স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ছোট ভাই, এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত ইয়াছিন আরাফাত দলবল নিয়ে অনুষ্টানের অতিথিদের হয়রানি ও ইভ টিজিং করতেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন।
মামলার তথ্য মতে, ওই ঘটনার রেশ ধরে চলতি বছরের ১৫ মে বিকালে ইয়াছিন আরাফাতের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসি পথিমধ্যে কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেনের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর ও হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই সময় নজির হোসেনের কাছে থাকা নগদ এক লাখ টাকা লুট করে হামলাকারিরা।
হামলার খবর পেয়ে দ্রুত স্বামীকে রক্ষা করতে আসলে নজির হোসেনের স্ত্রীকেও মারধর করা হয়।
এই ঘটনায় হামলার শিকার নজির হোসেনের ছেলে আদনান সামি বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা ও চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলার ৬ আসামি হলেন খরুলিয়া ঘাটপাড়ার মরহুম নুর আহমদের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (২৫), তার ভাই স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুর রশিদ, স্থানীয় আবদুল করিমের ছেলে মো. আবছার (২৫), মো. দানু মিয়ার ছেলে মো. সাকিব (২০), আবদুল মোনাফের ছেলে মো. মিজান (৩৫) ও জাফরের ছেলে জামিল (২০)। এছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মামলার পর প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর