শিরোনাম :
উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আতাহার ইকবালের ইন্তেকাল : বিভিন্ন মহলের শোক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সবজির বাজারে অস্থিরতা ইংরেজি অলিম্পিয়াডে যুক্তরাজ্য হতে সমুদ্রকন্যা ফিরলেন মেডেল হাতে মহেশখালীর বন্যাকবলিত ৭০০ পরিবারকে সিপিজিসিবিএলের ত্রাণ সহায়তা সাতকানিয়ায় বন্যার্ত ৮৫০ মানুষকে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক মাদ্রাসাভবনের ওপর পাহাড় ধসে পাঁচ শিক্ষার্থী নিহত

খরুলিয়ার নজির হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন

নিউজ রুম / ১৬৬ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সদর উপজেলাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ার লাল গোলাপ কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন হত্যাচেষ্টা মামলায় স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) অবশেষে কারাগারেই যেতে হলো। একই মামলায় তার বড় ভাই আবদুর রশিদ মেম্বার পলাতক রয়েছেন।
গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মামলার প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর ফারুকী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ইয়াছিন আরাফাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহবুবুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সুত্র মতে, ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকার ঘাটপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘লাল গোলাপ’ কমিউনিটি সেন্টারে কোন অনুষ্টান হলেই স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ছোট ভাই, এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত ইয়াছিন আরাফাত দলবল নিয়ে অনুষ্টানের অতিথিদের হয়রানি ও ইভ টিজিং করতেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন।
মামলার তথ্য মতে, ওই ঘটনার রেশ ধরে চলতি বছরের ১৫ মে বিকালে ইয়াছিন আরাফাতের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসি পথিমধ্যে কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেনের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর ও হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই সময় নজির হোসেনের কাছে থাকা নগদ এক লাখ টাকা লুট করে হামলাকারিরা।
হামলার খবর পেয়ে দ্রুত স্বামীকে রক্ষা করতে আসলে নজির হোসেনের স্ত্রীকেও মারধর করা হয়।
এই ঘটনায় হামলার শিকার নজির হোসেনের ছেলে আদনান সামি বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা ও চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলার ৬ আসামি হলেন খরুলিয়া ঘাটপাড়ার মরহুম নুর আহমদের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (২৫), তার ভাই স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুর রশিদ, স্থানীয় আবদুল করিমের ছেলে মো. আবছার (২৫), মো. দানু মিয়ার ছেলে মো. সাকিব (২০), আবদুল মোনাফের ছেলে মো. মিজান (৩৫) ও জাফরের ছেলে জামিল (২০)। এছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মামলার পর প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর