শিরোনাম :
কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কক্সবাজারে চাকরি মেলায় নিশ্চিত হলো ১৩২ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস : নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের হাতি বাঁচলে টিকবে জীববৈচিত্র্য, বাড়বে বনাঞ্চলের সবুজায়ন ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

খরুলিয়ার নজির হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন

নিউজ রুম / ১৫৭ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সদর উপজেলাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ার লাল গোলাপ কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন হত্যাচেষ্টা মামলায় স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ভাই ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) অবশেষে কারাগারেই যেতে হলো। একই মামলায় তার বড় ভাই আবদুর রশিদ মেম্বার পলাতক রয়েছেন।
গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন মামলার প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর ফারুকী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ইয়াছিন আরাফাতকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহবুবুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সুত্র মতে, ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া এলাকার ঘাটপাড়া এলাকায় অবস্থিত ‘লাল গোলাপ’ কমিউনিটি সেন্টারে কোন অনুষ্টান হলেই স্থানীয় আবদুর রশিদ মেম্বারের ছোট ভাই, এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত ইয়াছিন আরাফাত দলবল নিয়ে অনুষ্টানের অতিথিদের হয়রানি ও ইভ টিজিং করতেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেন।
মামলার তথ্য মতে, ওই ঘটনার রেশ ধরে চলতি বছরের ১৫ মে বিকালে ইয়াছিন আরাফাতের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসি পথিমধ্যে কমিউনিটি সেন্টারের মালিক নজির হোসেনের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর ও হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই সময় নজির হোসেনের কাছে থাকা নগদ এক লাখ টাকা লুট করে হামলাকারিরা।
হামলার খবর পেয়ে দ্রুত স্বামীকে রক্ষা করতে আসলে নজির হোসেনের স্ত্রীকেও মারধর করা হয়।
এই ঘটনায় হামলার শিকার নজির হোসেনের ছেলে আদনান সামি বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা ও চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলার ৬ আসামি হলেন খরুলিয়া ঘাটপাড়ার মরহুম নুর আহমদের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (২৫), তার ভাই স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুর রশিদ, স্থানীয় আবদুল করিমের ছেলে মো. আবছার (২৫), মো. দানু মিয়ার ছেলে মো. সাকিব (২০), আবদুল মোনাফের ছেলে মো. মিজান (৩৫) ও জাফরের ছেলে জামিল (২০)। এছাড়াও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
মামলার পর প্রধান আসামি ইয়াছিন আরাফাত উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গত রোববার কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর