শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

খুটাখালীতে স্যালু মেশিন বসিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনঃধসে পড়ার মূখে বেড়িবাঁধ

নিউজ রুম / ১৫৪ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেধের খাল,খুটাখালী ছড়ার মূখ ও তলীয়া ঘোনার খালে স্যালু মেশিন বসিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন করছে আ’লীগের অঙ্গ সংগঠনের দোসর নেতারা।ফলে ধসে পড়ার মূখে খালের বেড়িবাঁধ সহ চিংড়ি ঘের আর লবণ মাঠের বাঁধগুলো।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়-অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রথম স্পষ্ট হলো-মেধের খালে সংযুক্ত তলীয়ার খাল।এই খাল সংলগ্ন ছাগল খাইয়া চিংড়ি ঘের ও লবণ মাঠের লাগোয়া পূর্বপাশে খাল থেকে স্যালু মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে এরশাদ সহ আরো ১/২জন লোক।
দ্বিতীয় স্পষ্ট হলো-তলীয়ার খাল সংলগ্ন ছড়াঘোনা আর মাষ্টার ঘোনার মাঝখানের খাল থেকে অবৈধ স্যালু মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে আব্দুল্লাহ,রফিকুল ইসলাম ও ছাবের আহমদ।
তৃতীয় স্পষ্ট হলো-মেধের খালে সংযুক্ত খুটাখালী ছড়ার মূখ।অর্থাৎ রাবার ড্যামের নিচে খুটাখালী ছড়ার মূখে স্যালু মেশিন বসিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন করছে রায়হান,আলী আহমদ ও সোলতান।
বালু উত্তোলনকারীরা টেনপু বোট যোগে বালুগুলো বিভিন্ন স্হানে পাচার করে যাচ্ছে।এই বালু উত্তোলনের ফলে মেধের খালের বেড়িবাঁধ সহ ছাগল খাইয়া,ছড়াঘোনা,মাস্টার ঘোনা ও মসজিদ ঘাটার চিংড়ি ঘের আর লবণ মাঠের বাঁধের ব্যাপক ফাটল ধরেছে।যেকোন সময়,যেকোন মূহুর্তে জোয়ারের পানি আর বর্ষার উজান থেকে আসা ঢলের পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বাঁকগুলো।এতে শত লক্ষটাকার ক্ষতির সম্মূখিন হবে ঘের আর লবণ চাষিরা।পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডেরও অফুরন্ত ক্ষতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বালু উত্তোলনকারীরা এলাকার কাউকে পরোয়া করেনা।মানে না দেশের প্রচলিত আইন-কানুন।তাদের বিরুদ্ধে আচার করলেই,হামলার শিকার হতে হয় বলে নিরব চাষিরা।এই খালে যে খাটের সেতু সেটিও ভেঙ্গে পড়ার মূখে।খালটি বাটায় হেটে পারাপার করা যেত।কিন্তু এখন বাটাতেও ১০/১৫ হাত পানি থাকায় পারাপারে দূভোগ পোহাতে হচ্ছে।ভবিষ্যতে চিন্তা করে লবণ মাঠ আর চিংড়ি ঘের রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চাষিরা।
এবিষয়ে চকরিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আতিকুর রহমান বলেন-অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে পদক্ষেপ নিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।সে যেই হোক,বালু উত্তোলন বন্ধ সহ উত্তোলনকারীকে আইনের আওতায় আনা হবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর