শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

গত বছর মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রপ্তানি করে ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ

নিউজ রুম / ২১৮ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

সাকলাইন আলিফ :

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: আব্দুর রউফ বলেছেন, গত বছর মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রপ্তানি করে ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ। এর ৮০ ভাগই চিংড়ি ও চিংড়িজাত পণ্য। তাই মৎস্য অধিদপ্তরের লক্ষ্য চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধি করা, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা।
রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করতে গেলে চিংড়ির উৎপাদন অবশ্যই বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার দুপুরে কক্সবাজারের হোটেল স্বপ্নীল সিন্ধুতে মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত এক অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত সরকারি চিংড়ি এস্টেট উপপ্রকল্পের পরিবেশগত ও আর্থসামাজিক প্রভাব নিরূপণ বিয়য়ক নানা তথ্য তুলে ধরা হয়।
সভায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় ৫ কিলোমিটারের অধিক অভ্যন্তরীণ খাল পুনর্বাসন, ২৭টি জলবাহী কাঠামো পুনর্বাসন ও নির্মাণ, প্রায় ৭১ কিলোমিটার প্রান্তীয় বেড়িবাঁধ এবং প্রান্তীয় বেড়িবাঁধে বনায়ন করা হবে। এটি পুনর্বাসন প্রকল্প বিধায় জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন নেই। প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবিকার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো: জিয়া হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
সভায় মৎস্য বিভাগ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য, চিংড়ি চাষি ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর