শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

গত বছর মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রপ্তানি করে ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ

নিউজ রুম / ১৭৫ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

সাকলাইন আলিফ :

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: আব্দুর রউফ বলেছেন, গত বছর মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রপ্তানি করে ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে বাংলাদেশ। এর ৮০ ভাগই চিংড়ি ও চিংড়িজাত পণ্য। তাই মৎস্য অধিদপ্তরের লক্ষ্য চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধি করা, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা।
রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করতে গেলে চিংড়ির উৎপাদন অবশ্যই বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার দুপুরে কক্সবাজারের হোটেল স্বপ্নীল সিন্ধুতে মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত এক অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত সরকারি চিংড়ি এস্টেট উপপ্রকল্পের পরিবেশগত ও আর্থসামাজিক প্রভাব নিরূপণ বিয়য়ক নানা তথ্য তুলে ধরা হয়।
সভায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় ৫ কিলোমিটারের অধিক অভ্যন্তরীণ খাল পুনর্বাসন, ২৭টি জলবাহী কাঠামো পুনর্বাসন ও নির্মাণ, প্রায় ৭১ কিলোমিটার প্রান্তীয় বেড়িবাঁধ এবং প্রান্তীয় বেড়িবাঁধে বনায়ন করা হবে। এটি পুনর্বাসন প্রকল্প বিধায় জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন নেই। প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবিকার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো: জিয়া হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
সভায় মৎস্য বিভাগ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য, চিংড়ি চাষি ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর