শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

১৫ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক

নিউজ রুম / ৯৪ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজারের রামুতে ‘মাদকের চালান লেনদেনের সময়’ ১৫ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
শনিবার বিকাল ৫ টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ অভিযান চালানো হয় বলে জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম।
আটকরা হল, রামু উপজেলার রাজারকূল ইউনিয়নের ঘোনার পাড়ার মৃত ভোলা বড়ুয়ার ছেলে বোধন বড়ুয়া (৩৪) এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়ার মুইং চা অং মার্মার ছেলে উসাই মং মার্মা (৪৩)।
দিদারুল আলম বলেন, রামুতে সংঘবদ্ধ চক্রের কতিপয় সদস্য মাদকের চালান লেনদেনের খবরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে একটি দল শুক্রবার থেকে অভিযান শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা কৌশলে পালিয়ে যায়। শনিবার বিকালে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে মাদক কারবারি চক্রের লোকজন অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত হয়। এতে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের একটি সেখানে উৎপেতে অবস্থান নেয়। সেখানে এক পর্যায়ে মাদকের চালান লেনদেনের জন্য সন্দেহজনক দুই ব্যক্তিকে দেখতে পায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।
“ পরে আটকদের দেহ তল্লাশী করে পাওয়া যায় ১৫ হাজার ইয়াবা। “
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা বলেন, “ আটকরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, উদ্ধার করা মাদকের চালান আটকরা উখিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকার সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে। এই মাদকের চালান ঢাকায় পাচারের উদ্দ্যেশে লেনদেন করছিল। “
আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান, এ কে এম দিদারুল আলম।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর