শিরোনাম :
কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কক্সবাজারে চাকরি মেলায় নিশ্চিত হলো ১৩২ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস : নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের হাতি বাঁচলে টিকবে জীববৈচিত্র্য, বাড়বে বনাঞ্চলের সবুজায়ন ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে স্কুল শিক্ষিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

নিউজ রুম / ১৬৮ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক:
কক্সবাজারে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গীত শিক্ষিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার দিনগত রাত ১২ টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালি ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকার ইউনুছ ঘোনা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে বেদার মিয়া (২৮) কে প্রধান আসামী এবং অজ্ঞাতনামা তিনজনকে অভিযুক্ত করে কক্সবাজার সদর মডেল একটি মামলা লিপিবদ্ধ হয়েছে। তবে গত শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সদর উপজেলার ঝিলংজায় সংঘবদ্ধ এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ সোমবার (২২ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে মামলা রেকর্ড করে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন।
এজাহারের দেয়া তথ্যমতে, গেলো ১৮ আগস্ট রাতে ভিকটিম পিএমখালীর মালিপাড়ায় তার ভাগ্নির মেহেদী অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানেই পরিচয় বেদার মিয়ার সাথে। পরদিন ১৯ আগস্ট সকাল সাড়ে সাতটার দিকে বিয়ে বাড়ি থেকে টমটম (ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা) যোগে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ঝিলংজা ইউনিয়নের বাংলাবাজার ব্রিজ নামক এলাকায় পৌঁছালে বেদার ও তার সহযোগীরা গতিরোধ করে। এবং দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ইউনিয়নের চান্দের পাড়ার আল বয়ান ইনস্টিটিউটের সামনের নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে পালাক্রমে তিনজন ধর্ষণ করে তাকে ফেলে রেখে চলে যায়।
এবিষয়ে মামলার বাদী বলেন, সেদিন বেদার সহ ৪ জন আমার টমটম গতিরোধ করে। আমাকে জোর করে তাদের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে একজন আমার সাথে কোন কিছু না করলে বেদার ও তার দুই সঙ্গী আমাকে নির্যাতন চালায়।
মামলার নথিভুক্ত হতে দেরী হলো কেন এমন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভিকটিমের এক স্বজন বলেন, রামু উপজেলার একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গীত শিক্ষক। এজন্য প্রথমে রামু থানা সেখান থেকে কক্সবাজার সদর মডেল থানা আসি আমরা। অবশেষে সোমবার (২২ আগস্ট) রাতে মামলা নিয়েছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ওই নারীর এজাহার পাওয়ার পর মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর