শিরোনাম :
বাঁকখালী নদীর তীর ফের দখল ফলাফল পুনঃগণনার দাবিতে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন কক্সবাজারে জামায়াতকে হারিয়ে ৪টি আসনেই বিএনপির জয় প্লাস্টিক দূষণ .অন্তর্ভুক্তিমূলক বিদ্যালয় গঠন নিয়ে বির্তক প্রতিযোগিতা কক্সবাজারে আরডিআরএস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নির্বাচনে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে উখিয়ার যুবলীগ নেতা যৌথ বাহিনীর হাতে আটক কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সেনা বিজিবি পুলিশ যৌথ অভিযান : বর্মা কলোনি থেকে ৩৪৫ রোহিঙ্গা কে আটক করেছে মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজারে কেএফসি-পিৎজা হাটসহ ৫ রেস্টুরেন্টে ভাঙচুর

নিউজ রুম / ৮৯ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে সোমবার দুপুরে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় অবস্থিত ইসরাইলি পণ্য সরবরাহকারী হিসেবে জনতা কেএফসি ও পিজ্জা হাট সহ পাঁচটি রেস্টুরেন্টে ভাঙচুর চালিয়েছে বিক্ষোভ মিছিল থেকে।
কক্সবাজার জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাবেদ ইকবাল জানিয়েছেন, ইসরাইলি পণ্য রাখার অজুহাতে কেএফসি, পিৎজা হাট, কাঁচা লঙ্কা, পানশি রেস্টুরেন্ট, মেরিন ফুড রেস্টুরেন্টে ভাঙচুর চালানো হয়। দুপুর ১২ টায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরী থেকে শুরু হওয়া মার্চ ফর ফিলিস্তান স্লোগানের শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিল থেকে কিছু উশৃংখল লোকজন এই হামলা চালায় বলে জানান জাবেদ ইকবাল।
কক্সবাজার পিৎজা হাটের ইনচার্জ পারভেজ মিয়া বলেন, মূলত কেএফসির ওপর মানুষের ক্ষোভ বেশি। তারা হঠাৎ মিছিল থেকে ইট পাটকেল মারা শুরু করে কেএফসি লক্ষ্য করে। তবে কেএফসি ওপরের ফ্লোরে হওয়ার এগুলো এসে পড়ে পিৎজা হাটে। আমাদের বেশকিছু কাঁচ এবং যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা আপাতত রেস্টুরেন্ট বন্ধ রেখেছি।
কাঁচা লংকা রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ফিরোজ আহমেদ বলেন, রেস্তোরাঁর সাইনবোর্ডে সেভেন আপের বিজ্ঞাপন ছিলো। এই অজুহাতে আমাদের রেস্টুরেন্টে ভাঙচুর চালানো হয়। আমরাও তো ফিলিস্তিনকে সাপোর্ট করি।
তবে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস খান জানিয়েছেন, জনতার মিছিল থেকে ডিল ছুটে মারার কারণে ছোটখাটো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটে নাই।
তিনি বলেন, সোমবার কক্সবাজার শহরের অনেকগুলো মিছিল হয়েছে, সবগুলো বিক্ষোভ মিছিলের আগে এবং পেছনে পুলিশ ছিল।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর