শিরোনাম :
ইফতার মাহফিল ও চিকিৎসক সমাবেশ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার হতে পারে ক্রীড়া সম্ভাবনার তীর্থ কেন্দ্র -এমপি কাজল লেইসার হোটেলারস অব বাংলাদেশ কক্সবাজার জোনের ইফতার ও মিলনমেলা বাঁকখালী নদীর তীর ফের দখল ফলাফল পুনঃগণনার দাবিতে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন কক্সবাজারে জামায়াতকে হারিয়ে ৪টি আসনেই বিএনপির জয় প্লাস্টিক দূষণ .অন্তর্ভুক্তিমূলক বিদ্যালয় গঠন নিয়ে বির্তক প্রতিযোগিতা কক্সবাজারে আরডিআরএস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নির্বাচনে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে উখিয়ার যুবলীগ নেতা যৌথ বাহিনীর হাতে আটক কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান

উত্তরণ আবাসিক এলাকায় স্ত্রীকে ধর্ষণ করে স্বামীকে হত্যা : ঘাতক চাকমা আটক

নিউজ রুম / ৬২ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার শহরের কলাতলী সংলগ্ন ঝিলংজা উত্তরণ আবাসিক এলাকা থেকে রঞ্জন চাকমা (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ঘাতক বীরেল চাকমা (৫৪) কে পালানোর সময় ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, নিহতের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক আসামি মদ্যপ ছিলেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। ধর্ষণের আলামত থাকায় নিহতের স্ত্রী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানায়, বিরেল কয়েক মাস ধরে ঝিলংজার উত্তরণ আবাসিক এলাকায় ভাড়া থাকতেন। অন্যদিকে নিহত রঞ্জন ও তার স্ত্রী রাঙামাটি থেকে আনারস বিক্রির উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে এসে পরিচিত ঘাতক বিরেলের বাসায় আশ্রয় নেন।
রঞ্জনের স্ত্রীর বরাতে স্থানীয় জসিম উদ্দিন জানান, শনিবার রাতে সবাই একসঙ্গে মদপান করছিলেন। এসময় পাশের আরেক কক্ষে বিরেল রঞ্জনের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তিনি দৌঁড়ে গিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানান। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সঙ্গে বিরেলের বাকবিতণ্ডা হয়। কিছু সময় পর বিরেল ছুরি দিয়ে রঞ্জনকে মাথায় কুপ দিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর ব্যাগ নিয়ে পালাচ্ছিলেন বিরেল। রক্তমাখা হাত দেখে স্থানীয়রা তাকে আটক করলে পরে বাড়িতে গিয়ে রক্তাক্ত রঞ্জনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার পাশে অর্ধনগ্ন অবস্থায় কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী। পরে স্থানীয়দের কাছে বিরেল হত্যার কথা স্বীকার করেন।
ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, নিহত ও ঘাতক উভয় পরিবারই কিছুদিন আগে রাঙামাটি থেকে কক্সবাজারে আসে। তারা স্থানীয় সুপারি বাগানে মজুর হিসেবে কাজ করতেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর