শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

উত্তরণ আবাসিক এলাকায় স্ত্রীকে ধর্ষণ করে স্বামীকে হত্যা : ঘাতক চাকমা আটক

নিউজ রুম / ৬৯ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :

কক্সবাজার শহরের কলাতলী সংলগ্ন ঝিলংজা উত্তরণ আবাসিক এলাকা থেকে রঞ্জন চাকমা (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ঘাতক বীরেল চাকমা (৫৪) কে পালানোর সময় ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, নিহতের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক আসামি মদ্যপ ছিলেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। ধর্ষণের আলামত থাকায় নিহতের স্ত্রী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়রা জানায়, বিরেল কয়েক মাস ধরে ঝিলংজার উত্তরণ আবাসিক এলাকায় ভাড়া থাকতেন। অন্যদিকে নিহত রঞ্জন ও তার স্ত্রী রাঙামাটি থেকে আনারস বিক্রির উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে এসে পরিচিত ঘাতক বিরেলের বাসায় আশ্রয় নেন।
রঞ্জনের স্ত্রীর বরাতে স্থানীয় জসিম উদ্দিন জানান, শনিবার রাতে সবাই একসঙ্গে মদপান করছিলেন। এসময় পাশের আরেক কক্ষে বিরেল রঞ্জনের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তিনি দৌঁড়ে গিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানান। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর সঙ্গে বিরেলের বাকবিতণ্ডা হয়। কিছু সময় পর বিরেল ছুরি দিয়ে রঞ্জনকে মাথায় কুপ দিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর ব্যাগ নিয়ে পালাচ্ছিলেন বিরেল। রক্তমাখা হাত দেখে স্থানীয়রা তাকে আটক করলে পরে বাড়িতে গিয়ে রক্তাক্ত রঞ্জনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার পাশে অর্ধনগ্ন অবস্থায় কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী। পরে স্থানীয়দের কাছে বিরেল হত্যার কথা স্বীকার করেন।
ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, নিহত ও ঘাতক উভয় পরিবারই কিছুদিন আগে রাঙামাটি থেকে কক্সবাজারে আসে। তারা স্থানীয় সুপারি বাগানে মজুর হিসেবে কাজ করতেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর