জিয়াউল হক জিয়াঃ
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের,ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জাধিন কাকারা বনবিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দীর্ঘদিনের জবরদখলকৃত ২ একর ধানী উদ্ধার করেন সংশ্লিষ্ট বনবিভাগ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে কাকারা ইউনিয়নস্হ বাদশারটেক নামক এলাকায় অর্থাৎ সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বনভুমির দখল জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে।
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের (ডিএফও) মোঃ মারুফ হোসেন ও ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদেকুর রহমান এর নির্দেশনায়, কাকারা বনবিট কর্মকর্তা মোঃ সাউদ যাহীনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
এসময় অভিযানে অংশ নেন কাকারা বিটের স্টাফ ও কমিউনিটি পেট্রোল গ্রুপ (সিপিজি) সদস্যরা।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিট কর্মকর্তা মোঃ সাউদ যাহীন।তিনি প্রতিবেদককে জানান- কাকারা ইউনিয়নস্হ কাকারা বনবিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বনভুমির দুই একর জায়গা দীর্ঘদিন যাবৎ স্হানীয় কিছু লোক জবরদখল করেছিল।যা কাকারা মৌজার সংরক্ষিত বনভূমির আরএস-৪৮৫০ নম্বরের জায়গা ছিল।এছাড়াও আমি যখন প্রথমে সংবাদটি পায়,জায়গাটুকু রিজার্ভ জায়গা।তখন আমি স্ব-সম্মানে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ করি।পরে দেখলাম জায়গাটি দু’গ্রুপে দাবি করে তকবির করে,দখলে নিবে।পরে সংবাদটি রেঞ্জ কর্মকর্তার মাধ্যমে ডিএফও মহোদয়কে অবগত করা হয়।তখন ডিএফও মহোদয় আর রেঞ্জ কর্মকর্তার নিদর্শনায় অভিযান চালিয়ে দুই এক জায়গা দখলমুক্ত করতে সক্ষম হয়।আমাদের জানা মতে তারা জায়গাটুকু নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প মূলে বিক্রি করলে প্রায় ৫০ লাখ টাকা পাবে।এভাবে দখলদারেরা বনভূমি দখল করে,পরে বিক্রি করে ফায়দা লুন্ঠন করে জেনেছি।আমরা বন রক্ষা দায়িত্ব নিয়ে পাবলিক বন উজাড়ের সুযোগ দিতে পারি না।তাই উদ্ধারকৃত জায়গাতে দ্রুত চারা রোপন করা হবে।এছাড়াও যারা জায়গাটি দখল করে রেখে আর অভিযানে বাধাঁ দিয়েছেন তাদের নামে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সাদেকুর রহমান বলেন,কাকারা বনবিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুই একর বনভূমি অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে।যারা বনভূমি উজাড়ে,বনভূমি জবরদখল করে রেখেছিল,তাদের বিরুদ্ধে বন আইন মোতাবেক ব্যবস্হা নেওয়া হবে।এছাড়াও সংরক্ষিত বনভূমি রক্ষায়
এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।আমরা বনভূমি রক্ষক হয়ে বক্ষকের ভুমিকা পালন করতে পারি না,পারবো না।বনভূমি জবরদখলকারী কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়,বরং আইনগত ব্যবস্থা আর অভিযান চলবে।