জিয়াউল হক জিয়া :
টানা দুইদিনের ভারিবর্ষণে চকরিয়া,নবগঠিত মাতামূহুরী ও পেকুয়া উপজেলার পাহাড় ধসের আশঙ্কা বিদ্যামান।পাহাড় ধসে পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত মানুষের প্রাণহানি শঙ্কা দেখে,তাদেরকে ঝুঁকি না নিয়ে নিরাপদ স্হানে সরিয়ে থাকার জন্য মাইকিং করা সহ স্বেচ্ছাসেবীরা ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি স্হানে গিয়ে-গিয়ে সরানোর চেষ্টা আর সর্তকতা করেছেন।বৃষ্টির মাতামূহুরী নদীতে হু-হু করে উজান থেকে আসা ঢলের পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে যাচ্ছে।ফলে চকরিয়া,মাতামূহুরী ও পেকুয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে জ্বলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।ডুবে যাচ্ছে শত-শত ঘরবাড়ি পৌর এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট, সড়ক ও বসত বাড়িতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চকরিয়া পৌরসভার হাসপাতাল পাড়া, থানা সেন্টার, নিউমার্কেট, থানা রাস্তার মাথায় মহাসড়ক বৃষ্টির পানিতে জ্বলঝট সৃষ্টি হয়। টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় মাতামুহুরি নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি উপজেলার ফাসিয়াখালী, কৈয়ারবিল, বরইতলী, ডুলাহাজারা, পূর্ব বড় ভেওলা, সাহার বিল, সুরাজপুর, মানিকপুর , কাকারা ও বমু- বিল ছড়ি,খুটাখালী ইউনিয়নের এলাকার নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় ভারী বৃষ্টি কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হতে না পেরে স্বাভাবিক কর্মজীবন ও ব্যবসা বাণিজ্য ব্যহত হচ্ছে।এছাড়াও চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী সড়ক নির্মাণ কাজের দেয়া ম্যাক্স গ্রুপের বেড়িবাঁধের ফলে বৃষ্টির পানি ডুবে র্দূভোগ পোহাচ্ছে স্হানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, এভাবে আরো কিছু দিন বৃষ্টি হলে থাকলে,নিশ্চিত মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বন্যার হবে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা বা আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করছেন এলাকাবাসী। দেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মাতামুহুরীসহ কয়েকটি নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রও সতর্ক করেছে।
সর্তকর্তা জারিতে চকরিয়া,মাতামূহুরী ও পেকুয়ার উপজেলা প্রশাসন সহ স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দফতরের স্বেচ্ছাসেবীরা মাঠে কাজ করছেন।ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসরত বাসিন্দাদের সরিয়ে নিরাপদ স্হানে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চকরিয়া ইউএনও শাহীন দেলোয়ার। কক্সবাজার আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিনও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।