শিরোনাম :
নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

আশা করবো বিএনপি নির্বাচন থেকে পালাবে না: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ রুম / ১৪৩ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। আমরা আশা করবো, সেই নির্বাচন থেকে বিএনপি পালিয়ে যাবে না।
আজ রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সবুজ বাংলাদেশ: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ‘এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী দিনে বক্তব্য শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচন কখনও সরকারের অধীনে হয় না। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। সংবিধান অনুযায়ী, অন্যান্য সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচনকালীন সরকার হয়, আমাদের দেশেও তা-ই হয়েছে, অন্য কোনো বায়না ধরে লাভ নেই।’এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের মাঠ থেকে তো কেউ কাউকে সরাতে পারে না। নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের মাঠ থেকে ২০১৪ সালে বিএনপি পালিয়ে গিয়েছিল। ১৮ সালে তারা নির্বাচনের মাঠ থেকে পালিয়ে গিয়ে নির্বাচনি ট্রেনের পাদানিতে চড়ে নির্বাচনে গিয়েছিল। এবার তারা নির্বাচনের ট্রেনের পাদানিতে চড়বে, নাকি ট্রেনে চড়বে—এই সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে। আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে আসুক, জনপ্রিয়তা যাচাই করুক।’
‘আন্দোলনে পরাজিত বিএনপি হবে না’, দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কর্মীদের চাঙা রাখতে অনেক কথাই বলতে হয়। যেহেতু তাদের কর্মীরা সাড়া দিচ্ছে না—এ জন্য তাদের অনেক কথা বলতে হচ্ছে। এ জন্য মির্জা ফখরুল সাহেবের গলা সবসময় চড়া দেখতে পাচ্ছি। এটাও দেখছি, তারা যে সভা-সমাবেশগুলো করছে, সেখানে মানুষ আস্তে আস্তে কমছে।’
আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব এবং আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সূচনা বক্তব্য রাখেন। আরও বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ও পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর