শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

পাঁচ বছর পর সেই নো-ম্যান্স ল্যান্ডে

নিউজ রুম / ১৩১ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

ইকরাম চৌধুরী টিপু :
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট শুক্রবার প্রথম প্রহরে উখিয়ার যে পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছিল পালংখালী ইউনিয়নের ধামনখালী সীমান্ত। নাফ নদী যেখানে ছোট খাল হয়ে বালুখালী দিয়ে নাইকংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের দিকে চলে গেছে।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের খবর সংগ্রহের জন্য জেলা সদর থেকে সর্বপ্রথম ছুটে গিয়েছিলাম সেই ধামনখালী এলাকার নাফ নদীর পাড়ে পাঁচ বছর পর আবার সেই পয়েন্টে বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে অনেকটা জনমানবহীন এলাকা।
ওপারে সীমান্তের কাছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী আর আরকান আর্মি মধ্যকার গোলাগুলি সংঘর্ষ এপারের জনজীবনেও যেন স্থবিরতা অজানা আশংকা এনে দিয়েছে।
এপারের বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর আর আরকান আর্মির মর্টার শেল গোলাগুলির শব্দের চেয়ে তাদের ভয় বেশি সীমান্তে রোহিঙ্গা গুটি ব্যবসায়ী একটি গ্রুপের অবাধ তৎপরতা ও এপার-ওপার চলাচলে।
আরেকটি বিষয় লক্ষণীয় রোহিঙ্গা ঢলের কারণে বিদেশি টাকায় উখিয়া টেকনাফে রাস্তা ঘাটের যে হারে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়েছে, সেখানে পালংখালী ইউনিয়ন ধামনখালী থাইনখালী সহ অনেক এলাকায় রাস্তা ঘাটের ছিটেফোঁটা উন্নয়ন দেখা যায়নি। যে কারণে ওপারের রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের গুটি ব্যবসায় কোন সমস্যা হচ্ছে না। বিজিবি র্যাব সহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে গেলেই তারা ওপারে নিরাপদে পালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নাকি তাদের আদরে আপ্যায়নে রাখে।
গুটিকয়েক রোহিঙ্গা গুটি সন্ত্রাসী গ্রুপ আমাদের সীমান্তের জন্য বিষফোড়া হবে নাতো।

এনটিভির কক্সবাজার স্টাফ রিপোর্টার ইকরাম চৌধুরী টিপুর ফেসবুক থেকে নেওয়া


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর