শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

চেয়ারম্যানের পিস্তল সহ বাড়ী চুরি

নিউজ রুম / ১৬৮ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন

মোঃ শাহাদত আলী জিন্নাহ :
মহেশখালীর শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডঃ আবদুল খালেক চৌধুরীর বাড়ীতে ভয়াবহ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল নিয়ে গেছে তাঁর পিস্তল সহ কিছু মালামাল। চোরের চুরির ধরন দেখে অনেকে মনে করেন চেয়ারম্যান কে ঘুম করার জন্য তারা এসেছিল। চেয়ারম্যান কে না পেয়ে চোররা এ কাজটি করেছে বলে অনেকের ধারণা। যাবার সময় চোরের দল আলমিরা থেকে শুরু করে প্রায় কয়েক লাখ টাকার ফার্ণিচার ভাঙ্গচুর করেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এশারের নামাজের পর।
জানা যায়, শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এডঃ আবদুল খালেক চৌধুরীর একটি বাড়ী রয়েছে শাপলাপুর দিনেশপুরে। অপর একটি বাড়ী রয়েছে কক্সবাজার কস্তুরাঘাটের পৃর্ব পাশে। তিনি সপরিবারে বেশী ভাগই বসবাস করেন কক্সবাজারে। ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কাজ করার জন্য তিনি কক্সবাজার থেকে যান। মাঝে মধ্যে দিনেশপুরের বাসায় থাকেন। পাহাড়ী জনপদ হওয়ায় তাঁর লাইসেন্সধারী পিস্তলটি প্রায় সময় শাপলাপুরস্থ দিনেশপুরের বাড়ীতে নিরপক্তার জন্য রাখতেন। চেয়ারম্যানকে ইতিপৃর্বে মোবাইলে হুমকি দেয়ায় চেয়ারম্যান বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় একটি জিডি ও করেন। এর পর চেয়ারম্যান প্রায় সময় আতংকে দিন কাটাতেন। সর্বশেষ গত ২৮ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কাজ পালন করে সন্ধায় কক্সবাজারস্থ বাসায় চলে যায়। রাতে তাঁর বাড়ীর কেয়ারটেকার ফোন করে ভয়াবহ চুরির বিষয় টি চেয়ারম্যান কে অবগত করেন। সাথে সাথে চেয়ারম্যান ওসি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সকলকে ফোনে বিষয় টি অবগত করেন। পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা কয়েকজন কে আসামী করে মহেশখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মহেশখালী থানার ওসি তদন্ত সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে চেয়ারম্যানের ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন চুরি করে পিস্তল আর ঘড়ি নেয়ার চেয়ে ৫/৬ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। তিনি জীবনের নিরাপত্তায় ভোগছেন। এদিকে মহেশখালী থানার তদন্ত ওসি থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন চেয়ারম্যান একটি এজাহার দায়ের করেছেন। তবে ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর