শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

কক্সবাজারের সৌন্দর্য রক্ষায় আপনার পারফরম্যান্স শুধু জিরো নয়, নেগেটিভও

নিউজ রুম / ১৫৯ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
সমুদ্র সৈকত এলাকার অবৈধ দখল
ও স্থাপনা উচ্ছেদ সংক্রান্ত নির্দেশনা
যথাযথভাবে প্রতিপালন না করায়
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি)
মামুনুর রশীদকে ভর্ৎসনা করেছেন
হাইকোর্ট। আদালত ডিসিকে উদ্দেশ
করে বলেছেন, ‘কক্সবাজারের
সৌন্দর্য রক্ষায় আপনার
পারফরম্যান্স শুধু জিরো নয়,
নেগেটিভও। বারবার বলার পরও
আপনি সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ
করেননি। যদি
বাস্তবায়ন
আদালতের আদেশ না মানেন,
তাহলে আপনাকে ফল ভোগ করতে
হবে শেষ হতে পারে।সেটির ব্যাপারে আপনাকে
দায়িত্ব নিতে হবে।’
গতকাল বুধবার বিচারপতি জেবিএম
হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল
জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে
সশরীরে হাজির হন কক্সবাজারের ডিসি
মামুনুর রশীদ। আদালত অবমাননার
অভিযোগে তাকে তলব করা হয়েছিল।
এ সময় আদালত বলেন, সারা পৃথিবী
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দিকে তাকিয়ে
আছে। এত সুন্দর সৈকতকে আমরা
ইউটিলাইজ্ (ব্যবহার করতে পারছি না।
এখানে দায়িত্ব পেলে কাজ করার সুযোগ
অনেক বেশি পাওয়া যায় উল্লেখ করে।
আদালত বলেন, ‘কিন্তু কক্সবাজারের জেলা
প্রশাসক যা করছেন, তাতে তার ক্যারিয়ার
শেষ হয়ে যেতে পারে।
আবেদনকারীর পক্ষে
আদালতে
ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
ডিসির পক্ষে ছিলেন মোমতাজ উদ্দিন
ফকির।এদিকে আদালতে একটি হলফনামা
জমা দেন জেলা প্রশাসক। এতে তিনি
জানান ৪১৭টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।
এ ছাড়া আদালতের আদেশের কারণে
২৩৩টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা যায়নি।
শুনানি শেষে আদেশে আদালত
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসককে ব্যক্তিগত
হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
পাশাপাশি আগামী ৯ নভেম্বর পরবর্তী
শুনানির জন্য দিন রেখেছেন। সেই দিনের
মধ্যে জেলা প্রশাসককে অগ্রগতি
এর আগে ২০১১ সালের ৭ জুন
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকার অবৈধ
দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়ে রায়
দেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের আলোকে
কয়েক দফা নির্দেশনা দিলেও তা সম্পূর্ণ
বাস্তবায়ন করা হয়নি। পরে গত
ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারের ডিসিসহ
সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ দেওয়া
হয়। সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায়
আদালত অবমাননার আবেদন করে
হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর
(এইচআরপিবি)।
বাংলাদেশ
আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২৫ আগস্ট
হাইকোর্ট কক্সবাজারের ডিসিকে তলব
করেন আদালতে। সেই নির্দেশ অনুসারে
১৯ অক্টোবর হাজির হন জেলা প্রশাসক।
এ বিষয়ে আইনজীবী মনজিল
মোরসেদ বলেন, কক্সবাজার সৈকতে
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য আমরা প্রথম
থেকেই ফাইট করছিলাম, এটিও হয়তো
চূড়ান্তভাবে সফলতা আসবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর