শিরোনাম :
দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি থেকে ২৬০টি দোকান উচ্ছেদ

নিউজ রুম / ১৮৩ বার পড়ছে
আপলোড : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়িতে অভিযান চালিয়ে ছোট বড় ২৬০টি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।
সোমবার সকাল ৯ থেকে হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের যৌথভাবে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব (উপসচিব) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু জাফর রাশেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আমিন আল পারভেজ এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মো: আবু সুফিয়ান।
এসময় কক্সবাজার জেলা পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: আমিন আল পারভে বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে সৈকতের এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।অভিযান চলমান থাকবে।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর মোহাম্মদ নুরুল আবছার এনজিপি, এনডিসি, পিএসসি, বিএন (অব:) বলেন, গত ১০ অক্টোবর মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে সমুদ্র সৈকতের ৪১৭ টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু মহামান্য আপীলেট ডিভিশন কর্তৃক ২৩৩ টি দোকানকে মালামাল সরিয়ে নেয়ার জন্য ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যন্ত সময় দেয়া হয়। কিন্তু অনেকে তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। এ কারনে ২৩৩টি দোকানসহ মোট ২৬০ টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
তিনি আরো বলেন, কক্সবাজারে পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে হলে প্রথমেই সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তাই সমুদ্র সৈকতের অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদের মাধ্যমে সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর/সংস্থার সমন্বয়ে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর