শিরোনাম :
দক্ষিণ এশিয়ায় পর্যটনে অবদানের তিন পুরস্কার সায়মান হোটেল পরিবারের রোহিঙ্গা সাড়ায় স্থানীয় এনজিও বঞ্চিত, এক সংস্থার ৩৪ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন পণ্য মেলায় মুক্তি কক্সবাজার কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা

তিন সহোদরসহ পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

নিউজ রুম / ১৮৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া…
কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ও তাঁর তিন ভাইসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা রুজু হয়েছে। সোমবার (৩১ অক্টোবর) রাতে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী এলাকার মৃত জাকের আহমদের ছেলে আবদু রাজ্জাক বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় আসামী হওয়া জাহাঙ্গীর আলমের ভাইয়েরা হলেন- মো. আজম, মো. কাইয়ুম ও ওসমান সরওয়ার বাপ্পি। অপর আসামীরা হলেন- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ওসমান আলী, ইদ্রিস বাবুল, আবুল বশর, পেকুয়ার বাইম্যাখালী এলাকার মিজানুর রহমান কালু, আবদুল মালেক, রেজাউল করিম, আবু ছালেক, আনছার উদ্দিন ও ফরিদুল ইসলাম।
মামলার এজাহারে বাদি দাবি করেছেন, গত ২৪ অক্টোবর রাতে উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে অপর আসামীসহ ৫০-৬০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পেকুয়া বাজারের ৮টি দোকানঘর ভাঙচুর করে। ওইসময় দোকানের মালিক আবদু রাজ্জাককে মারধর করেন এবং দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন বলেও বাদি দাবি করেন।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরহাদ আলী বলেন, আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। থানার এক অফিসারকে মামলার তদন্তের দায়িত্বও দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।###


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর