শিরোনাম :
নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া

১৩ লাখ ইয়াবা পাচারের দায়ে রোহিঙ্গাসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ রুম / ১৩৪ বার পড়ছে
আপলোড : সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক:
১৩ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারের দায়ে রোহিঙ্গাসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এই রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৩, ব্লক-এইস-১৬ এর মো. আয়াজ (৩৪), কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পাওয়ার হাউজ দক্ষিণ হাজীপাড়ার আবুল কালাম (৩৭), খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার পঞ্চরাম পাড়ার আজিমুল্লাহ (৪৩) এবং একই এলাকার আবুল কালাম (৩৭)। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে র‍্যাব-১৫ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে কক্সবাজার শহরের মাঝির ঘাটস্থ খুরুস্কুল ব্রিজের উত্তর পাশে একটি ফিশিং বোট আটক করে। বোটে থাকা আয়াজ ও বিল্লালকে আটক করা হয়। এ সময় র‍্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও ৪-৫ জন পালিয়ে যায়। পরে ফিশিং বোট তল্লাশি করে ১৩ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০ হাজার ৯ হাজার নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাব-১৫ এর নায়েব সুবেদার মো. হারুনর রশীদ ২জনসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(গ)/৩৮/৪১ ধারায় কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম আরও জানান, এ ঘটনায় আয়াজ ও বিল্লাল তাদের দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন। তারা জবানবন্দিতে পলাতক আসামি আজিমুল্লাহ ও আবুল কালামের পরিচয় প্রকাশ করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও র‍্যাব-১৫ এর এসআই মোহাম্মদ সোহেল সিকদার ২০২১ সালের ১০ জুন আদালতে মামলার চার্জশিট দেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে মামলাটি দ্রুত রায় প্রদান করতে পারায় আমরা সন্তুষ্ট।
###


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর