শিরোনাম :
কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কক্সবাজারে চাকরি মেলায় নিশ্চিত হলো ১৩২ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস : নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের হাতি বাঁচলে টিকবে জীববৈচিত্র্য, বাড়বে বনাঞ্চলের সবুজায়ন ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পেঁচারদ্বীপে জনবসতী ও ফলজ বাগান রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন

নিউজ রুম / ১২৭ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেঁচারদ্বীপে জনবসতী ও ফলজ বাগান রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে পেঁচারদ্বীপ মৌজার ২নং সীটে জনবসতী ও ফলজ বাগান রক্ষা করে পাশের ৩নং সিটের খালী জমি অধিগ্রহনের দাবী জানানো হয়।
শুক্রবার সকালে দক্ষিন পেঁচারদ্বীপে মেরিনড্রাইভ সড়কের পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ৫ শতাধিক নারী, শিশু ও পুরুষ অংশগ্রহন করেন। মানববন্ধন শেষে সমুদ্র গবেষনা কেন্দ্রের সামনে মেরিনড্রাইভ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করে তারা। মানববন্ধনে আবুল হোছন, ছৈয়দ আলম, কাদির হোসেন, নুর উদ্দিন, আবদুল মজিদ, আবুল কালাম, সৈয়দ আলম, আবদুস সালাম, আবদুল গফুরসহ স্থানিয়রা বক্তব্য রাখেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পূর্বপুরুষ থেকে বসবাস করা খতিয়ানভুক্ত এই স্থান ছাড়া তাদের আর কোন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। মাথা গোঁজার ঠাই ছাড়াও আয়ের উৎস্য সুপারিসহ ফলজ বাগানের উপর শতাধিক পরিবার নির্ভরশীল। ইতিপুর্বে সমূদ্র গবেষণা কেন্দ্র নির্মানের সময় উচ্ছেদ করা পরিবার গুলোর এখনো পুনর্বাসন করা হয়নি। এ অবস্থায় পেঁচারদ্বীপ মৌজার ২নং সিটের ফলজ বাগানসহ জনবসতী অধিগ্রহন না করে পাশে ৩নং সিটে খালী জমি সমূদ্র গবেষণা কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য অধিগ্রহন করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।
বক্তারা বলেন, পুর্ব পুরুষ থেকে রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেঁচারদ্বীপ মৌজার ৩নং সীটে বসবাস করে আসছে। ১৯৯১ সালের বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে এসব পরিবার বারংবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পাশাপাশি মেরিনড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্রের জন্য ইতিপুর্বে দুইবার বিপুল পরিমান জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। উন্নয়নের স্বার্থে সরকারের সিদ্ধান্তের সাথে একমত হয়ে স্থানিয়রা সহযোগিতা করেছে। যার দরুন অত্র এলাকার ৩ শতাধিক পরিবার পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। শতাধিক পরিবার মেরিনড্রাইভ সড়কের পশ্মিম পাশে ৩ নম্বর সিটে খতিয়ানভুক্ত জমিতে বসবাস করে সুপারিসহ ফলজ বাগান সৃজন করে। এসব পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস্য সুপারিসহ ফলজ বাগান। কিন্তু আবারো সী-এক্যুরিয়ামসহ সমুদ্র গবেষনা কেন্দ্রের জন্য জনবসতী ও ফলজ বাগানের জমি অধিগ্রহনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি মৎস্য গবেষনা বিভাগ ও বন বিভাগের লোক এসে সুপারিসহ ফলজ গাছ ও বসতবাড়ী গননা কর শুরু করে। এতে সকলে বিস্মিত হয়েছে। অথচ পাশে ৩ নম্বর ও ২ নম্বর সিটে বিপুল পরিমান খালী জমি ও পাশে বন বিভাগের জমি রয়েছে। সমুদ্র গবেষনার উন্নয়নের জন্য যথেষ্ঠ। ৩ নম্বর ও ২ নম্বর সিটে বিপুল পরিমান খালী জমি অধিগ্রহন করে জনবসতী ও ফলজ বাগান রক্ষার আকুল আবেদন জানানো হয়। মৌলিক অধিকার বসতবাড়ী ও একমাত্র আয়ের উৎস্য ফলজ বাগান রক্ষা করেই পার্শবর্তি খালী জমিতে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহন করা হোক। এমনটাই দাবী সকলের।
বক্তারা আক্ষেপ করে বলেন, ইতিপুর্বে সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্রের জন্য অধিগ্রহন করা জমি থেকে বসতবাড়ী উচ্ছেদ করার সময় পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও তা আর বাস্তবায়ন করা হয়নি। এমনকি ফলজ সহ কেটে ফেলা গাছের ক্ষতিপুরণ দেয়ার কথা বলা হলেও তাও পায়নি ক্ষতিগ্রস্থরা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর