সাকলাইন আলিফ :
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সরকারি ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন ঘটেছে। সৈকত ছাড়া ও বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে বেড়াচ্ছে পর্যটকরা। আগত পর্যটকদের নিরাপত্তাই নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। তবে স্থানীয় লোকজনের সমকোণ ছিল সবচেয়ে বেশি।
একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ছিল সরকারি ছুটি। ছুটির কারণে কক্সবাজার সৈকতে নামে পর্যটকের আগমন। তবে সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের চেয়ে স্থানীয় লোকজনের সমাগম ছিল সবচেয়ে বেশি।
বাস টার্মিনাল থেকে আসা স্থানীয় বাসিন্দা রহিম উদ্দিন জানান, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটু সৈকতে ঘুরতে আসলাম। কিন্তু আজকেও পর্যটকের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে এখানে।
চট্টগ্রামের হালিশহর থেকে আসা নুরুল আলম বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ছুটিতে অফিস বন্ধ থাকার কারণে পরিবার নিয়ে একটু ঘুরতে আসলাম সৈকতে। এখানে এসে ভালোই লাগছে।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী ও সুগন্ধা পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, পর্যটকদের চেয়ে স্থানীয় লোকজনের সমাগম বেশি ছিল।
হোটেল কক্স টুডে র জিএম আবু তালেব সাহেব বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমাদের হোটেলে মোটামুটি পর্যটক রয়েছে। তবে বেশি চাপ নেই।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন ঝিনুক মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি কাসেম আলী বলেন, বন্দর দিন হওয়ায় পর্যটক দেখা যাচ্ছে। তবে পর্যবেটিকে চেয়ে স্থানীয় লোকজন বেশি। ফলে আমাদের এখানে বেচা বিক্রি তেমন একটা হচ্ছে না।
সমুদ্র সৈকত ছাড়াও ইনানী হিমছড়ি পাটোয়ারটেক এলাকায় পর্যটকদের আনাগোনা দেখা গেছে।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজওনের পুলিশ সুপার মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও আশপাশের পর্যটন স্পটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আমিন আল পারভেজ বলেন, পর্যটকরা যাতে কোনো প্রকার হয়রানি না হয় সেজন্য আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে কয়েক টি টিম সৈকত ও আশপাশের এলাকায় কাজ করছে।