শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের আতঙ্ক মারছা

নিউজ রুম / ১২৭ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন

সাকলাইন আলিফ:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও বিকট শব্দে হরণ বাজানো এই মারছা পরিবহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী সচেতন মহলের,হাইওয়ে পুলিশের বেপরোয়া পরিবহন গুলোর উপর নজরদারি বাড়ানো উচিত বলে মনে করেন জনসাধারন।
প্রায়শই দেখা যায় বেপরোয়া গতিতে তারা ওভারটেক করে অন্য গাড়িকে পাত্তায় দেয় না এমন অভিযোগ সবত্র।
চট্টগ্রাম থেকে মারছা পরিবহনে করে চকরিয়া আশা যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, গাড়িতে উঠার পর মনে হচ্ছে আমার প্রাণটা চালকের হাতে ছিল। কোনভাবেই আল্লাহ আল্লাহ করে চকরিয়াতে পৌঁছেছি। জীবনেও আর কোনদিন এই গাড়িতে পরিবহন করব না।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বেশ সুনাম অর্জন করেছিল মারছা পরিবহন,সঠিক সময়ে গাড়ি ছেড়ে দিতো বলে সকলের পছন্দের পরিবহন হয়ে যায়,কিন্তুু বর্তমানে তাদের বেপরোয়া চলাচলের কারণে জনমনে বিভিন্ন অভিযোগ মারছা পরিবহনকে ঘিরে।

চকরিয়া উপজেলার যাত্রীদের অভিযোগ চট্টগ্রাম থেকে টিকেট কাটলে চকরিয়ার যাত্রীদের সিট দেওয়া হয় পিছনে,কোন যাত্রীর সামনে বসার ইচ্ছে করলে কাটতে হয় কক্সবাজারের টিকেট।
গত কয়েকদিন আগে কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা এলাকা থেকে তোলা ছবিটিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে অল্পের জন্য বেঁচে গেল মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যাক্তি,অথচ তারা তাদের রাস্তাতেই ছিল।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর