শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

পাহাড় কাটার মহোৎসব!

নিউজ রুম / ১৪৪ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন

সাকলাইন আলিফঃ
পৃথিবীর লোহ দণ্ড বলা হয় পাহাড়কে।প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় যার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
এর ওপর ভর করেই প্রকৃতি তার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
অথচ এক শ্রেণির ভূমিদস্যুরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলে সেই পাহাড়গুলোকে সাবাড় করছে।
লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক পাহাড় রয়েছে,তবে সেসব পাহাড়গুলোতেও পড়েছে পাহাড় খেকোদের থাবা।
নিজস্ব ফায়দা লুটতে পাহাড়ের মাটি কেটে বিক্রি, আবাস্থল গড়ে তোলাসহ নানা স্বার্থে এসব পাহাড়গুলোকে নির্বিচারে বিলীন করে দিচ্ছে।
সকাল থেকে রাত সমান তালে চলে পাহাড় কাটার কাজ তবে বেশিরভাগ সময়ে নিঝুম রাতে চলে বনাঞ্চলের আবৃতে ঘেরা পাহাড় কাটার ধুম।
বিগত কয়েক বছরে এ অঞ্চলের প্রায় অর্ধেকের চেয়ে বেশি পাহাড় ও টিলা কেটে সমতল করা হয়েছে,এ নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে চাপা ক্ষোভ থাকলেও প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতেও পারছেন না।
প্রভাবশালী মহলটি ক্ষমতার দাপট ও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতের আধাঁরে পাহাড়ের মাটি কেটে সাবাড় করে ফেলছে।
ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিন লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,পাহাড়ের মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক ভেকু মেশিন।
যার মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে পাহাড়ের মাটিগুলোকে কেটে ফেলা হচ্ছে,মাটি কেটে সেগুলোকে ড্রাম ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। আবার অনেকেই গর্ত বা জমি ভরাট করে ঘর বাড়ি নির্মাণ করছে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, যেভাবে নির্বিচারে ও অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে তা জনজীবনে হুমকি স্বরূপ।
পাহাড়ের তলে কিংবা পাহাড়ে যেসব বাড়িঘর রয়েছে ভারী বর্ষণে যেকোনো মুহূর্তে ধসে যেতে পারে,এতে ব্যাপক প্রাণহানির আশংকাও রয়েছে। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বিডি ওয়ার্ল্ড ২৪ কে বলেন…..
পাহাড় কাটা বেআইনি কিনা তা আমাদের জানা নেই,এ বিষয়ে কেউ আমাদের অবহিত করেনি। অনেকেই পাহাড় কেটে বাড়িঘর নির্মাণ করেছে। বিনা বাঁধায় মাইলের পর মাইল পাহাড় সাবাড় করা হয়েছে,পাহাড় কাটার বিষয়ে আমাদের যথাযথ জ্ঞান না থাকায় আমরা আমাদের পারিবারিক প্রয়োজনে পাহাড় অংশ কাটা শুরু করলেও এখন তা বন্ধ করে দিয়েছি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন বিগত ৪-৫ বছর ধরে পাহাড় কাটা শুরু হয়েছে,আমাদের ইউনিয়নে প্রায় তিন ভাগের মধ্যে দুই ভাগই পাহাড় কেটে ফেলেছে।
যদি প্রশাসন কোনো উদ্যোগ না নেয় তাহলে আর কিছুদিন পর এখানে আর কোন পাহাড় খুঁজে পাওয়া যাবে না।
অভিযোগ রয়েছে এলাকার মৃত মঙ্গবুল পুত্র ইয়াসিন ও প্রভাবশালী একটি চক্র এতে জড়িত থাকায় সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলছেন না,চক্রটি অবৈধভাবে গভীর রাতে ভেকু মেশিনের মাধ্যমে পাহাড়ের মাটি কেটে নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর