শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

রাজধানীর চোরাই ফোন-ল্যাপটপ কক্সবাজারে

নিউজ রুম / ১১৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন

বিডি ডেস্ক :
২৯ মার্চ বুধবার থেকে ৩১ মার্চ শুক্রবার পর্যন্ত বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকা ও কক্সবাজার থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কলাবাগান থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন: নুর ইসলাম ও আবু বরকত মিশকাত। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ৪টি আইফোন, ৩৮টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন ও ৩টি ল্যাপটপ উদ্ধার উদ্ধার করা হয়।
রোববার ২ এপ্রিল দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ।
তিনি বলেন, কলাবাগানের একটি বাসা থেকে গত ২৭ মার্চ ভোরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৮টি মোবাইল, ৪টি আইফোন ও ল্যাপটপসহসহ নগদ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা চুরি হয় । যার সর্বমোট চোরাই মূল্য ৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কলাবাগান থানায় মামলা করেন। এরপর কলাবাগান থানার একটি টিম চোরাই মালামাল উদ্ধার ও চোর চক্রকে গ্রেপ্তারে জন্য কাজ শুরু করেন।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চুরির ঘটনায় সরাসরি জড়িত চোরদের শনাক্ত করা হয়। এরপর ২৯ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে রাজধানী ঢাকা ও কক্সবাজার জেলার চকরিয়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তাররা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরষ্পরের যোগসাজসে রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন উপায়ে মোবাইল, ল্যাপটপ চুরি করে তাদের অন্যান্য সহযোগিদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতো।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা আরোও জানায়, তারা চোরাই মোবাইল ফোনগুলোর আইএমআই নম্বর পরিবর্তন করে এবং মোবাইল ফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ খুলে স্বল্পমূল্যে অন্যত্র বিক্রি করে। এছাড়া তারা অধিকাংশ সময় কুরিয়ারের মাধ্যমে চোরাই মোবাইল কক্সবাজার পাঠিয়ে দিতো।
রাজধানীতে চোরাই জিনিসপত্র বিক্রির কোনো স্থান রয়েছে কিনা জানতে চাইলে ডিসি বলেন: রাজধানীতে আমরা এমন কোনো স্থান পাইনি। চোরচক্র রাজধানীর চেয়ে রাজধানীর বাইরে চোরাই জিনিসগুলো পাঠিয়ে দেয়। রাজধানীতে মানুষ সচেতন হওয়ায় চোরাই জিনিসপত্র তেমন কিনে না। তাই চোরচক্রের সদস্যরা রাজধানীর বাইরে পাঠিয়ে দেয়। গ্রামের মানুষ একটি মোবাইল কম দামে কিনে নিতে পারে। তারা সাধারণত খোঁজ নেয় না কোথা থেকে মোবাইলটা এসেছে।
চোরাই মোবাইল বা কোনো জিনিস কেনার আগে যাচাই করে কেনার আহ্বান জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর