শিরোনাম :
স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ যুক্তির লড়াইয়ে মুখর কুতুবদিয়া দ্বীপ চ্যানেল ওয়ানের কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেলেন এফ এম সুমন উখিয়ায় সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু গবেষণা-ভিত্তিক আচরণ পরিবর্তনে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগের কর্মশালা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শনে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান সাবেক র‍্যাব কর্মকর্তার অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি

চকরিয়ায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কেটে দিলেন কৃষকের দুুই বিঘা জমির পাঁকা ধান

নিউজ রুম / ১৬২ বার পড়ছে
আপলোড : রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া:
পেঁকে মাঠে পড়ে রয়েছে ধান। শ্রমিকের অভাবে সেই ধান কাঁটতে পারছে না কৃষক। খবর পেয়ে সেই ধান কেঁটে দিলেন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের একঝাঁক নেতা-কর্মী। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ এলাকায় গিয়ে এসব ধান কাঁটেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.আকিত হোসেন সজীবের নেতৃত্বে প্র্য়া ৫০ জন নেতা-কর্মী।
কৃষক এনামুল হক বলেন, দুই বিঘার মতো জমিতে ধানের চাষ করেছিলাম। সম্প্রতি এসব ধান পেঁকে ঝরে পড়ে যাচ্ছে। সামনে আসছে বৃষ্টির দিন। যেকোন সময় কাল বৈশাখী ছোবল মারতে পারে। তাই খুব চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকের খোঁজও করেছি। কিন্তু কোথায় শ্রমিক পাচ্ছিনা।
কোন ভাবে এই খবর যায় চকরিয়া ছাত্রলীগের এক নেতার কাছে। পরে ওই নেতা রাতে আমার সাথে যোগযোগ করে ধান কাটার বিষয়ে জানতে চান। শুক্রবার সকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.আকিত হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জনের মতো নেতা-কর্মী আসে। এরা খুব সুন্দর করে আমার দুই বিঘা জমির ধান কেঁটে দেয়। এরজন্য এরা কোন টাকাতো দূরের কথা কোন নাস্তা পর্যন্ত খাইনি। তারা প্রচন্ড রোদের মধ্যেও যেভাবে ধানগুলো কেঁটে দিলেন তা অবিশ^াস্য। তাদের প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ।
চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ মো.আকিত হোসেন বলেন, সম্প্রতি আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের ধান কেঁটে দেয়ার নির্দেশ দেন। এরপর থেকে আমার ইউনিয়নের প্রতিটি নেতা-কর্মীদের শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে না পারা এরকম কৃষকের সন্ধানের জন্য বলি। চিরিংগা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ এলাকার এনামুল হক নামের এক কৃষক শ্রমিকের অভাবে তার পাঁকা ধান মাঠে পড়ে রয়েছে বলে জানতে পারি।
এরপর আমি কৃষক এনামুল হকের সাথে যোগাযোগ করি। পরদিন শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে তার দুই বিঘা পাঁকা ধান কেঁটে ঘরের উঠানে রেখে দিই। এসময় আমার সাথে ছিলো ছাত্রলীগ নেতা জামশেদ উদ্দিন, চিরিংগা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.সুজন, ডুলাহাজারা ডিগ্রী কলেজের সভাপতি আজমিহি তাজিদ, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নুরুল মোস্তফা নূরশেদ, সহ-সভাপতি অমিত দাশ, যুগ্ন-সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াবুল হাসান জিয়া, ছাত্রলীগ নেতা তামিমুল হাসান ইমন, আবেদ রহমান তূর্য, ইনতিশার মোহাম্মদ রাশেদসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর