শিরোনাম :
ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি

ঘূর্ণিঝড় মোখা উপেক্ষা করে সৈকতে পর্যটক

নিউজ রুম / ১৪২ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোখা ও সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করে কক্সবাজার সৈকতে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটেছে। সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যটকরা আনন্দ উল্লাস আর হৈচৈ করে সময় পার করছে। অনেকেই সাগর স্নানে ব্যস্ত। পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে টুরিস্ট পুলিশ ও বীচ কর্মীরা। সাগরে না নামতে বারবার সতর্ক করছেন লাইফ গার্ড কর্মীরা।
দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় পরিণত হয়েছে। এজন্য কক্সবাজার সহ দেশের সকল সমুদ্রবন্দর সমুহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এরকম অবস্থার মাঝেও সৈকতে পর্যটকের আগমন ঘটেছে। এসব কিছু উপেক্ষা করে সাগরে অবাধে গোসল করছেন পর্যটকরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অসংখ্য পর্যটককে, সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টে সাগর গোসল করতে দেখা যায়। খুলনা থেকে আসা পর্যটক, হাবিব, রহমান, আরিয়ান, আরাফ ও নাদিয়া জানান, নিম্নচাপের কোন খবর তারা শুনেনি। এমনকি কক্সবাজার বেড়াতে এসে ঘূর্ণিঝড়ের কোন কিছু তারা দেখতে পায়নি। তারা বলেন, এখানে সবকিছু স্বাভাবিক। সাগরে গোসল করেছি। হৈচই করে আনন্দ করেছি। কোন প্রকার সমস্যা হয়নি। ঢাকা থেকে আসা অমৃত বাড়ই বলেন, দুই দিন আগে আসছি কক্সবাজার। আজকে ঘূর্ণিঝড়ের খবর শুনলাম। কিন্তু সৈকতে এসে সেরকম কোন পরিস্থিতি দেখতে পেলাম না। এখানে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলো।
সৈকতের লাবনী পয়েন্টে থাকা এক লাইফ গার্ড কর্মী বলেন, দুই নম্বর সংকেত থাকলেও পর্যটকরা কিছু মানতে চাই না। আমরা বারবার সতর্ক করছি। কিন্তু তারা না শুনে পানিতে নেমে পড়ছে।
হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, কিছু পর্যটক আছে। শুক্রবার থেকে আবহাওয়া পরিস্থিতি খারাপ হলে হয়তো যারা আছে তারাও চলে যেতে পারে।
টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজওনের পুলিশ সুপার মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, আমরা সব সময় পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করি। কক্সবাজার আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আমাদের টিম গুলো কাজ করে যাচ্ছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাস ক মোঃ শাহীন ইমরান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের মাঝে ভয়-ভীতি অপেক্ষা করে কিছু পর্যটক সাগরে নামছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এসব পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করছে। বীচ কর্মীরাও সার্বক্ষণিক পর্যটন এলাকায় কাজ করছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর