শিরোনাম :
কক্সবাজারে বিদ্যালয়ে জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সৈকতে সামুদ্রিক বর্জ্য পরিষ্কার অভযান সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় জেন্ডার-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা চর্চায় কক্সবাজারে পিআইবির কর্মশালা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা উখিয়া-টেকনাফে হোমস্টেড গার্ডেনিংয়ের প্রভাব নিয়ে সমীক্ষার ফল স্ট্যান্ড রিলিজের পরও কক্সবাজার বিমানবন্দর ছাড়ছেন না ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গোলাম মোর্তোজা সবুজ পৃথিবীর স্বপ্নে ওয়ার্ল্ড ভিশনের নতুন অভিযাত্রা উখিয়ার বালুখালীতে অস্ত্র-মাদক ও সন্ত্রাসের অভিযোগ :আতঙ্কে স্থানীয়রা: অভিযানের দাবী কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ

সাংবাদিকরা ৫০ জন করে শ্রমিক সাপ্লাই দেন-বদি

নিউজ রুম / ১৫৯ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের টেকনাফের আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি রোহিঙ্গা শ্রমিকদের পক্ষ নিয়ে সাংবাদিকদের শ্রমিক দেওয়ার কথা বলে আলোচনায় আসলেন আবার। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সাংবাদিকরা ৫০ জন করে শ্রমিকের নাম দেন, তাদের এনে বন্দরে নিয়োগ দেব। এরপর রোহিঙ্গা শ্রমিকদের আমি কাজ বন্ধ করে দেবো।
কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে রোহিঙ্গা শ্রমিকদের কাজে নিয়োজিত রাখতে উখিয়া-টেকনাফের বহুল আলোচিত-সমালোচিত সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি রয়েছে অনেক যুক্তি।

তিনি বলেছেন, টেকনাফ স্থলবন্দরে কাজ করা রোহিঙ্গারা দেশের রাজস্ব বাড়াচ্ছে, রোহিঙ্গা শ্রমিকরা সরকারকে রাজস্ব আদায়ে সহযোগিতা করছে। দেশের অন্য এলাকায় যেসব রোহিঙ্গা কাজ করে তারা সরকারের রাজস্ব বাড়াতে সহযোগিতা করে না। টেকনাফের বন্দরে যেসকল সকল স্থানীয় দেশীয় শ্রমিক আছে তারা অল্পতেই দূর্বল হয়ে যায়। লোকাল শ্রমিকরা মাজা ভাঙ্গা শ্রমিক

বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন ও স্থল বন্দরের আয়োজনে স্থলবন্দরে ব্যবস্থাপনা ও আমদানি সহযোগিতাকরণ সংক্রান্ত জরুরী মতবিনিময় সভা শেষে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এমন কথা বলেন।

এসময় সাংবাদিকদের উত্তর ক্ষুব্দ হয়ে বদি বলেন, কক্সবাজারের কোথায় রোহিঙ্গা নেই? রোহিঙ্গারা সবখানে কাজ করছে। আপনারা শুধু বন্দরের রোহিঙ্গাদের দেখেন, বাকি গুলো দেখেন না। স্থানীয় শ্রমিকরা বন্দরে কাজ করতে রাজী না, যারা রয়েছে তারাও শারীরিক দূর্বল। সাংবাদিকরা ৫০ জন করে শ্রমিকের নাম দেন, তাদের এনে বন্দরে নিয়োগ দেব। এরপর রোহিঙ্গা শ্রমিকদের আমি কাজ বন্ধ করে দেবো।

টেকনাফ স্থলবন্দরের নাফ গেষ্ট হাউজে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান।

সভায় পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম, সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আলম, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদ সদস্য জাফর আহমদ, সহকারী কমিশনার ভূমি মো. এরফানুল হক চৌধুরী, টেকনাফ থানার ওসি মো. আব্দুল হালিম, সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আমিন প্রমূখ।

সভায় আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু ছিল টেকনাফের স্থলবন্দর রোহিঙ্গা শ্রমিকদের দখলে থাকার বিষয়টি।সভায় উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, টেকনাফ স্থলবন্দরের ৯৫ ভাগ শ্রমিক রোহিঙ্গা। প্রায় ৫ শতাধিক রোহিঙ্গা টেকনাফ স্থল বন্দরে কাজ করছে। বন্দরের সংশ্লিরাই কমিশনের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের টেকনাফ বন্দরে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছে। উখিয়া-টেকনাফের সাবেক বিতর্কিত সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি মদদেই রোহিঙ্গারা এই বন্দরে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছে।

সভা শেষে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান। তিনি বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত মতে রোহিঙ্গারা বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই। সভায় আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা শ্রমিকদের স্থলবন্দরে কাজ করার সুযোগ নেই।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমি স্থল বন্দর পরিদর্শন করেছি। মিটিংয়ে আলাপ হওয়া সবকিছু উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে। তবে শীঘ্রই সব সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর