শিরোনাম :
কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার রামুতে সাড়ে ২৪ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি

যেখান থেকে শুরু সেখানেই শেষ

নিউজ রুম / ১৬৭ বার পড়ছে
আপলোড : রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

সরওয়ার আজম মানিক :
কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার কৃতি সন্তান, প্রবীণ সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন চৌধুরী। কক্সবাজার থেকে তার লেখালেখি শুরু হয়েছে। দৈনিক আজাদীতে কর্মরত ছিলেন কক্সবাজারে। সে সময় হেলাল ভাই সহ কয়েকজন মিলে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কক্সবাজার প্রেসক্লাব। তিনি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এরপর আজাদীর প্রয়াত সম্পাদকের অনুরোধে চট্টগ্রাম শহরে দৈনিক আজাদের অফিসে। এভাবেই তার চট্টগ্রামে কর্মজীবন শুরু। এরপর সেখানে, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, প্রেসক্লাব, সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িয়ে পড়েন। ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রবীণ সদস্য। সফর সঙ্গী হয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল দৈনিক যায়যায়দিনে। সেখানে ছিলেন চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান।
বৃহস্পতিবার থেকে কক্সবাজারের শুরু হয়েছে যায়যায়দিনর প্রতিনিধি সম্মেলন। কক্সবাজার বাড়ি হওয়ায় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে একদিন আগে চলে আসেন।
২৭ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে আসেন। হেলাল ভাই আসার একটু পরে আরেক সদস্য আমিনুল হক চৌধুরীও আসেন। সে রাতে এ ছবিটি আমি আমার মোবাইলে ধারণ করছিলাম। সেখানে কক্সবাজার প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী ছিলেন। তারা দুজনেই প্রথমেই নানা রকমের স্মৃতিচারণ করছিলেন সেখানেই মূলত আমি প্রবেশ করি। ছবি তোলার আগে আমি বলছিলাম বদ্দা আপনারা দুইজনকে একসাথে কখন না কখন পাবো জানিনা। একটি ছবি তুলে রাখি। এ বলেই ছবিটি ধারণ করছিলাম গত বুধবার রাত নয়টা বাজার ৪ মিনিট আগে। এই ছবিটি আজ স্মৃতি হয়ে গেল। হেলাল ভাই তখন প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিদেশ সফরের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরছিলেন। বর্তমান পি আইবির মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ এর সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কের নানা দিক তুলে ধরার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর অনেকগুলো গুণের কথা তিনি আমাদের জানালেন। কক্সবাজার প্রেসক্লাব যেখানে একটি বড় গর্ত ছিল সে গর্তটি কিভাবে ভরাট করে তারা ক্লাব নির্মাণ করেছিলেন সেই স্মৃতিগুলো তুলে ধরছিলেন।
চট্টগ্রামে গিয়ে সৎ থাকার জন্য কিভাবে সংগ্রাম করেছিলেন সেই কথাও জানালেন এ গল্পের মাঝে।
ফাঁকে একবার বলে ফেললেন, আমি যে কি রকম সততার মাঝে আছি আমি মারা যাওয়ার পর তোমরা অবশ্যই জানতে পারবে। আজ হেলাল ভাই নেই, কিন্তু তার রেখে যাওয়া সেই সততা আমাদের জন্য পথ প্রদর্শক হয়ে থাকবে।
আর আজ তিনি কক্সবাজার এসে জুমার দিনে পত্রিকায় কর্মরত অবস্থায় যেখান থেকে লেখালেখি শুরু করেছিলেন সেখানেই তার জীবন শেষ হলো।
পবিত্র জুমার দিনে নিজের যেই জন্মভূমিতে লেখালেখি শুরু করেছিলেন সে জন্মস্থানেই আজ তার মৃত্যু হল।
আল্লাহ আপনাকে জান্নাতের উত্তম স্থানে নিশ্চই মেহমান বানিয়ে রাখবেন আমিন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর