শিরোনাম :
সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইউএনএইচসিআর এর স্থায়ী শেল্টার নির্মাণ জনমতের বিরুদ্ধে ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য আটক হামের তীব্র ঝুঁকিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী; মাঠে এমএসএফ ডিফেন্স জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ :সভাপতি আলমগীর : সম্পাদক মাসুম আজ সে ভয়াল ২৯ এপ্রিল :উপকূলবাসীর স্বজন হারানোর দিন কক্সবাজারে নয়ন সাধু নামে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা সেই ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে মুক্ত টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর বিশেষ অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও একাধিক মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

২ রোহিঙ্গা মাঝি নিহতের ঘটনায় ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ রুম / ১৬২ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজারে উখিয়ার বালুখালির জামতলী শরনার্থী শিবিরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই রোহিঙ্গা নিহতের ঘটনায় উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত আবু তালেবের স্ত্রী তৈয়বা খাতুন (৩০)।
বৃহস্পতিবার রাত ১ টায় ৫ জনকে এজাহার নামীয় আসামী ও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলাটি লিপিবদ্ধ হয়।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন,
জামতলি এফডিএমএন ক্যাম্প-১৫ এর সি ব্লকের হেড মাঝি (ব্লকের নেতা) আবু তালেব (৫০) এবং সাবমাঝি সৈয়দ হোসেন (৪৩) এর নিহত হওয়ার ঘটনায় বাদীর দায়ের করা এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। যার নম্বর ৫৩।
এজাহারনামীয় অভিযুক্তরা হলেন, জাফর আলমের ছেলে মাহামুদুল হাসান (২৭), মৃত সোনা আলীর ছেলে সাহ মিয়া(৩২) ও তার ভাই আবুল কালাম @ জাহিদ আলম (২৫), মৃত রশিদ আহম্মেদের ছেলে জাফর আলম (৫৪) ও তার ছেলে মো.সোয়াইব।
এরা সকলেই জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত আবু তালেব জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক সি এর মাঝি এবং সৈয়দ হোসেন সাব মাঝি।
৯ আগষ্ট রাতে তারা প্রতিদিনের ন্যায় কাজকর্ম শেষে ব্লক-সি/৯ এর আছিয়া খাতুনের ঘরের সামনে বাঁশের মাচার উপর বসে ব্লকের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করছিল। সেসময় রাত ১১ টা ৪০ মিনিটে এজাহার নামীয় আসামী সহ ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা বন্দুকধারী মুখে গামছা বেঁধে তাদেরকে এলোপাতাড়ি গুলি করে। পরে সন্ত্রাসীরা ফাকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায়। এতে আবু তালেবের গলায় ২ টি এবং বুকের পাজরে ১ টি ও সাব-মাঝি সৈয়দ হোসেনের গলায় ১টি গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের মৃত্যু হয়।
পূর্ব শত্রুতার জেরে এই ডাবল মার্ডারের সাথে আবুল কাশেমের ছেলে সাব-মাঝি রেজাউল আলম (৪২), জাফর হোসেনের ছেলে সাব মাঝি মোঃ ইয়াছিন এবং ইসমাঈলের ছেলে (ভলেন্টিয়ার) নুর মোহাম্মদ (৩২) জড়িত রয়েছে বাদী সন্দেহ রয়েছে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মোহাম্মদ শিহাব কায়সার বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর