শিরোনাম :
হাইসাওয়ার উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজারের উপকূলের মানুষের জীবন কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কক্সবাজারে চাকরি মেলায় নিশ্চিত হলো ১৩২ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস : নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের হাতি বাঁচলে টিকবে জীববৈচিত্র্য, বাড়বে বনাঞ্চলের সবুজায়ন ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী

ঋণ শোধে অপহরন

নিউজ রুম / ১৭০ বার পড়ছে
আপলোড : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার শহরের হোটেল মোটেল জোনের ‘মোহাম্মদীয়া হোটেল’ থেকে দুই বছরের এক অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করেছে র্যাব। একই সাথে অপহরনকারী স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় হোটেলের একটি কক্ষ থেকে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
ধৃতরা হলেন বরিশালের হিজলা উপজেলার উসমান মঞ্জিল ইউপির মো.কেরামত আলীর মেয়ে কেয়া (২০) ও মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা সদরের কবুতর খোলা গ্রামের মো.নাছির উদ্দিনের ছেলে ছুফুয়ান খান রাহাত (২৪)। তারা সম্পর্কে স্বামী -স্ত্রী।
ধৃতদের বরাত দিয়ে র্যাব ১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মো.বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ২০২০ সালে কেয়া এবং ছুফুয়ান বিয়ে করে। তখন ছুফুয়ান ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকুরী করতো। কিন্তু ৮ মাস আগে তাঁর চাকুরী চলে যায়। বেকার অবস্থায় ধার দেনা করে সংসার চালাতে থাকে। এর মধ্যে তাদের ২০ হাজার টাকার ঋণ গত ১০ আগস্ট পরিশোধ করার কথা ছিল।

সহকারি পরিচালক আরো বলেন, ওই ঋণ পরিশোধ করতেই ১০ আগষ্ট কেয়া তার মামার বাড়ি থেকে কৌশলে তার দুই বছরের মামাত বোনকে অপহরন করে। পরে স্বামী ছুফুয়ানসহ কক্সবাজারে আসে। তারপরে ভিকটিমের পরিবারের মুক্তিপন বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে ভিকটিমকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করে।
তিনি আরো বলেন, এব্যাপারে ভিকটিমের পরিবার ঢাকার দক্ষিণখান থানায় কেয়া ও তার স্বামীকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। পরে ভিকটিমের পরিবার দেয়া তথ্যে আমরা অভিযানটি পরিচালনা করি।
বিল্লাল উদ্দিন আরো বলেন, ভিকটিমকে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া আসামীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সংশ্লিষ্ঠ থানায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর