শিরোনাম :
মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাত: সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসলো রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন সদস্য এনসিপি কক্সবাজারের উদ্যোগে শহিদ শরীফ ওসমান হাদী স্মরণসভা ও সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইপসা’র বীচ ক্লিনিং ক্যাম্পেইন প্রোগ্রামে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন কাকারায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই একর বনভূমি উদ্ধার চকরিয়ার সাংবাদিক এস.এম হান্নান শাহ আর নেই বাঁকখালী নদীতে থাকা সেন্টমার্টিনগামী ‘দ্যা আটলান্টিক জাহাজে আগুন: অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘুমন্ত শ্রমিক নিহত :তদন্ত কমিটি গঠন সামুদ্রিক শৈবাল চাষের গবেষণা বিষয়ক কর্মশালা মা মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে :কক্সবাজার থেকে ২০ হাজার নেতা কর্মী যাচ্ছে ঢাকায় কক্সবাজার–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন পরিবেশ কর্মী ও কক্সবাজার মডেল পলিটিক্স”-এর উদ্যোক্তা মোঃ ইলিয়াছ মিয়া জেলায় ৪ টি আসন থেকে দলীয় ও স্বতন্ত্র সহ ৯জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

ঋণ শোধে অপহরন

নিউজ রুম / ১৪০ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার শহরের হোটেল মোটেল জোনের ‘মোহাম্মদীয়া হোটেল’ থেকে দুই বছরের এক অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করেছে র্যাব। একই সাথে অপহরনকারী স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় হোটেলের একটি কক্ষ থেকে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করা হয়।
ধৃতরা হলেন বরিশালের হিজলা উপজেলার উসমান মঞ্জিল ইউপির মো.কেরামত আলীর মেয়ে কেয়া (২০) ও মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা সদরের কবুতর খোলা গ্রামের মো.নাছির উদ্দিনের ছেলে ছুফুয়ান খান রাহাত (২৪)। তারা সম্পর্কে স্বামী -স্ত্রী।
ধৃতদের বরাত দিয়ে র্যাব ১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মো.বিল্লাল উদ্দিন বলেন, ২০২০ সালে কেয়া এবং ছুফুয়ান বিয়ে করে। তখন ছুফুয়ান ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকুরী করতো। কিন্তু ৮ মাস আগে তাঁর চাকুরী চলে যায়। বেকার অবস্থায় ধার দেনা করে সংসার চালাতে থাকে। এর মধ্যে তাদের ২০ হাজার টাকার ঋণ গত ১০ আগস্ট পরিশোধ করার কথা ছিল।

সহকারি পরিচালক আরো বলেন, ওই ঋণ পরিশোধ করতেই ১০ আগষ্ট কেয়া তার মামার বাড়ি থেকে কৌশলে তার দুই বছরের মামাত বোনকে অপহরন করে। পরে স্বামী ছুফুয়ানসহ কক্সবাজারে আসে। তারপরে ভিকটিমের পরিবারের মুক্তিপন বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে ভিকটিমকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করে।
তিনি আরো বলেন, এব্যাপারে ভিকটিমের পরিবার ঢাকার দক্ষিণখান থানায় কেয়া ও তার স্বামীকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। পরে ভিকটিমের পরিবার দেয়া তথ্যে আমরা অভিযানটি পরিচালনা করি।
বিল্লাল উদ্দিন আরো বলেন, ভিকটিমকে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। এছাড়া আসামীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সংশ্লিষ্ঠ থানায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর