শিরোনাম :
কক্সবাজারে শনিবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন কক্সবাজারে চাকরি মেলায় নিশ্চিত হলো ১৩২ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস : নিজ দেশে ফেরার আকুতি রোহিঙ্গাদের হাতি বাঁচলে টিকবে জীববৈচিত্র্য, বাড়বে বনাঞ্চলের সবুজায়ন ক্ষমতার জোরে গণভোটের রায়কে প্রত্যাখান করতে চায় বিএনপি: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ খুশি প্রধানমন্ত্রী চিত্রচিন্তার প্রথম জাতীয় আলোকচিত্র উৎসব সফলভাবে সমাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

স্ত্রীর সামনে মাদ্রাসা সুপারকে কুপিয়ে হত্যা

নিউজ রুম / ১৫১ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক মহেশখালী :
কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাদ্রাসা পরিচালনায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন সশস্ত্র হামলা চালিয়ে মাও: জিয়াউর রহমান (৫০) নামের এক মাদ্রাসা সুপারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ সময় স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয়েছে তার স্ত্রী রহিম বেগম (৪২)। তারা স্বামী স্ত্রী দু’জনই মাদ্রাসা শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২ টায় উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়াকাটা সোমাইয়া (রাঃ) বালিকা দাখিল মাদ্রাসার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়াউর রহমান তাজিয়াকাটা গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে ও তাজিয়াকাটা স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক। তার স্ত্রী তাজিয়াকাটা সোমাইয়া (রাঃ) বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষিকা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীরা জানান, একটি মাদ্রাসার এমপিও ভুক্তি নিয়ে মাদ্রাসা কমিটি ও জমি দাতাদের সাথে শিক্ষকদের বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মোহাম্মদ বকসুবর গোষ্ঠী ও লাল’রবর গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল। এ নিয়ে গত তিন মাস পূর্বে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। এ বিরোধের জেরেই বৃহস্পতিবারের এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
নিহতের ছোট ভাই আব্দুল মান্নান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে আমার ভাই মাওঃ জিয়াউর রহমান আমার ভাবীর মাদ্রাসায় গিয়ে ভাবীর জন্য অপেক্ষা করেছিল। এ সময় হঠাৎ প্রতিবেশী প্রতিপক্ষের আনছার, মহিউদ্দিন, সাফায়েত উল্লাহ, এবাদুল্লাহ, নেছার ও মোস্তাক সহ ৮/১০ মিলে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে আমার ভাইকে টেনে মাঠে এনে উপর্যপুর কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় আমার ভাবী তার স্বামীকে বাঁচাতে আসলে তাকেও কোপায় তাঁরা। এতে ভাবি রহিমা বেগম ও মারাত্মকভাবে আহত হয়। লোকজন আমার ভাইকে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঘোষণা করেন। ভাবিকে আশংকাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রনব চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতাহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর