জিয়াউল হক জিয়াঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় কাঁচা সবজির উর্ধ্বগতি দাম।ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা।
সরেজমিনে বিভিন্ন বাজার ঘুরে জেনেছি-সারাদেশে বীজ,সার সহ অন্যন্যা কীটনাশকোর দাম বৃদ্ধির সাথে-সাথে বেড়েছে দিনমজুর লেবারের দাম।সে ক্ষেত্রে প্রান্তিক চাষিরা বাজার কাঁচা সবজি এনে আর কমদামে বিক্রি করেন না।যে কারণে খুচরা ব্যবসায়ীও কমদামে কিভাবে বিক্রি করবো বলে উল্টো প্রশ্ন জুড়িয়ে বসে।যার কোন স্বাভাবিক উত্তর নেই।ব্যবসায়ীদের কথা শুনে সপ্তাহ ধরে খুটাখালী,ডুলাহাজারা,মালুমঘাট,ফাঁসিয়াখালী,পৌরশহরের কাঁচাবাজার বরইতলী,হারবাং বিভিন্ন ষ্টেশন ঘুরে প্রতিয়মান হলাম।ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ব্যবসা করছেনা সত্যি।
কাশেম,মিজান ও ছৈয়দ নামের ব্যবসায়ী থেকে পাওয়া তথ্যমতে, দেশি প্রতি কেজি ৬০,ললিতা আলু ৪০টাকা,শিম ৮০টাকা,শষা ৮০টাকা,কাঁচা মরিচ ৬০,দেশি করল ১০০টাকা,তিত করলা৬০টাকা,ভেন্ডি ৬০টাকা,বেগুন ৩০টাকা,মিষ্টি কমড়া ৩৫টাকা,শুকনা মচির,শুকনা মাছের কথা আকাশ চুম্বি।তবে পানের দাম কমলেও সুপারির দাম আগের চাইতে বেশী।যেকারণে চাহিদা কমেছে।তেমনি ক্রেতারাও সবজির
উর্ধ্বগতি দাম নিয়ে ভিষণ বিপাকে পড়েছেন।
এখন আমরা যারা পাইকারি নামে চওড়া দামে সবজি কিনে এসে বাজারে কমদামে কিভাবে বিক্রি করবো।এছাড়া বাজার ইজারা বেশী,বিদ্যূৎ বিল সহ অন্যন্যা খরচ মিলিয়ে পুষিয়ে উঠতে পারছি না।
সচেতন মহল জানান,সবজির দাম যদি এভাবে ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে যায়।সে ক্রেক্ষে বাজারে ক্রেতার সংখ্যা খুবই নগণ্য হবে।ফলে বেচা-বিক্রিও তেমন হবেনা।