শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর না করা: কূটনৈতিক দূরদর্শিতার একটি বার্তা কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিএনপি সরকার মানুষের উন্নয়নের রাজনীতি করে-প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনবল নিয়োগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ভোলায় মানববন্ধন: প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়নের দাবি Speakers’ demands at the World Environment Day 2026 human chain. Save water bodies, prevent groundwater depletion কক্সবাজারে পাতলী খাল পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি কক্সবাজারের মহেশখালীর মানুষের মুখে হাসি ফুটালো আইএসডিই বাংলাদেশ সড়কের আশপাশে পশুর হাট বসলে আইনি ব্যবস্থা -এমপি কাজল চকরিয়ায় বি.এম চর ইউনিয়নে ১৫শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিল আইএসডিই বাংলাদেশ

কোনো অপরাধীদের ছাড় দেয়া হচ্ছে না : আইজিপি

নিউজ রুম / ১৬১ বার পড়ছে
আপলোড : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, ‘যেকোন ধরণের অপরাধ সংগঠিত হলে কোনো অপরাধীদের ছাড় দেয়া হচ্ছে না। অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আইনশৃংখলার স্বাভাবিক গতি কেউ ভঙ্গ করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বুধবার বেলা ৩ টার দিকে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ প্রধান এমন কথা বলেন।
পুলিশ প্রধান মঙ্গলবার (০২ মে) বিকেলে বিমান যোগে আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন কক্সবাজার আসেন। বুধবার সকালে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে কক্সবাজার শহরে ফিরে তিনি কথা বলেন গণমাধ্যমের সাথে
এসময় সম্প্রতি ট্রলারে ১০ মরদেহ উদ্ধারের ব্যাপারে পুলিশ মহাপরিদর্শক বলেন, ‘যেকোন ভাবে হোক না কেন, ১০টা প্রাণহানি হয়েছে। এই ঘটনা শোনার পর পরই আমরা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছি। এখানে সিআইডি টিম, পিআইবি টিম পাঠানো হয়েছে। তাদের সাথে কাজ করেছে র্যাবও। তারা এখানে এসে খোঁজ খবর নিয়ে ঘটনার মূল কারণ বের করার চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কেউ কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। এ নিয়ে আমরা আরো কাজ করে যাচ্ছি। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের তথ্য সংগ্রহ করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না’।
পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আরও বলেন, ‘অপহরণ কিংবা যেকোন ধরণের অপরাধ সংগঠিত হলে আমাদের জাতীয় পরিষেবা ৯৯৯ এ যোগাযোগ করে সহায়তা চাওয়ার জন্য এলাকার সবাইকে অনুরোধ করবো। এই পরিষেবায় আমাদের টিম দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। কিছুদিন আগেও ঢাকার রাজবাড়িতে একটা ডাকাতির ঘটনায় ৯৯৯ এ কল দিয়ে সহায়তা পেয়েছে। এ ধরণের ঘটনা ঘটলে আপনারা দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের তথ্য দিলে যেকেউ পুলিশের সহায়তা পাবে।’
জলদস্যুদের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আত্মসর্মপন করা জলদস্যুদের ব্যাপারে প্রতিনিয়ত খবর রাখছে পুলিশ। তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আবারো কোনো অপরাধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে খবর রাখছি। তারা ভালো হতে চেয়েছে বলে আমরা তাদের সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু আত্মসমর্পনের কথা বলে তারা পুনরায় অপরাধ সংগঠিত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় তিনি কক্সবাজার থেকে উখিয়ার কুতুপালং ১৯ নম্বর ক্যাম্পে গিয়ে পৌঁছেন। ক্যাম্পে পৌঁছার পর তিনি ওই ক্যাম্পের ৮ এপিবিএন কার্যালয়ে যান। ওখানে কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের পর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। ওই সময় তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং একটি গাছ রোপন করেন।
এরপর সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি উখিয়ায় অবস্থিত ৮ এপিবিএন সদর কার্যালয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। যেখানে পুলিশ প্রধান ক্যাম্পের আইন শৃঙ্খলায় রক্ষায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের বৈঠক করেন।


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর