শিরোনাম :
কোটা আন্দোলন : কক্সবাজারে আওয়ামীলীগ, জাসদ, জাতীয় পার্টির কার্যালয়, মসজিদ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গাড়ি ভাংচুর; ছাত্রলীগ ৪ নেতাকে মারধর কক্সবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামে কোটা আন্দোলনে সংর্ঘষে নিহত ছাত্র আকরামের বাড়ী কক্সবাজারের পেকুয়ায় পেকুয়ায় দূর্যোগ প্রস্তুতি ও সাড়াদান বিষয়ক কর্মশালা ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধার পর্যটন শহরেও উত্তাপ ছড়ালো কোটা আন্দোলনকারীরা উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব ১৫ জুলাই টেকনাফে জেন্ডার ও বিরোধ সংবেদনশীল সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ মিয়ানমারের বিকট শব্দে আতংকে টেকনাফবাসী টেকনাফে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন

পর্যটকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি সেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে পর্যটন পুলিশ

নিউজ রুম / ৫ বার পড়ছে
আপলোড : বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১০:৩১ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক
কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি সেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে পর্যটন পুলিশ।
এরই অংশ হিসেবে সৈকতে গোসলে নামা পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত লাইফগার্ড কর্মিদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে দুর্ঘটনায় কবলিত মানুষদের উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত ‘ফোল্ডেবল স্ট্রেচার’।

বৃহস্পতিবার বিকালে ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার অঞ্চল কার্যালয়ে আয়োজিত এক হস্তান্তর অনুষ্টানে এসব উদ্ধার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
কক্সবাজার রিজিয়নের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মোঃ জিললুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী।
তিনি বলেন, পর্যটন বাদ দিয়ে কোন কিছুই না। নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন এমন সংবাদ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। হোটেল কর্মকর্তা, টমটম চালক, কিটকট ব্যবসায়ীসহ পর্যটন সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুজিবুল ইসলাম, প্রথম আলোর কক্সবাজার অফিস প্রধান আবদুল কুদ্দুস রানা, চ্যানেল আই এবং দৈনিক আমাদের সময় এর স্টাফ রিপোর্টার সরওয়ার আজম মানিক,সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মীজানুজ্জামান, ইন্সপেক্টর গাজি মিজানুর রহমান, এস এ টেলিভিশনের প্রতিনিধি আহসান সুমন, সি সেইফ লাইফ গার্ডের ফিল্ড টিম ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ, কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ সড়ক হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মতৎপরতার বিস্তারিত তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম।

সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ জিললুর রহমান বলেন, পর্যটনের উন্নয়নে সবার পজিটিভ মানসিকতা লালন করা উচিত। পর্যটনের ক্ষতি মানে সবার ক্ষতি। ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ট্যুরিজম খাতে জড়িত সবার সাথে সমন্বয় রেখে আমরা কাজ করছি।

আইনগত কঠোরতার বিধি ও নিজেদের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,

ট্যুরিস্ট পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের একটি ইউনিট। ট্যুরিস্ট পুলিশের সকল সদস্য বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক নিয়োগকৃত। বাংলাদেশ পুলিশ যে সকল কাজ করে, ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরাও সেসকল কাজ করতে পারবে। কেউ অপরাধ করে পার পাবে না।

পর্যটন এলাকায় নিয়মিত তৎপরতার পাশাপাশি অবাধে গরু বিচরণের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে বলে ইঙ্গিত দেন পুলিশ সুপার মোঃ জিললুর রহমান।

উল্লেখ্য, ট্যুরিস্ট পুলিশের মাধ্যমে সি সেইফ লাইফ গার্ড সদস্যদের জন্য ফোল্ডেবল স্ট্রেচারে আর্থিক সহায়তা করেছে নাভানা গ্রুপ।

এসময় কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশ কর্তৃক ১০টি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়।

পরিকল্পনাগুলো হচ্চে

পর্যটন সম্পর্কিত সকল সেবা একই ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ,

অটো/সিএনজি চালকদের আলাদা পোশাক,আইডি কার্ড ও ভাড়া নির্ধারণ পূর্বক পর্যটক বান্ধব করা,

হোটেল মোটেল জোনে স্থানীয় কিশোরদের প্রবেশ সীমিত করা,

পর্যটন সম্পর্কিত সকল স্টেক হোল্ডারদের আইডি কার্ড ব্যবহার নিশ্চিত করা,

বাসসহ সকল পরিবহনে পর্যটক সচেতনতায় স্টিকার লাগানো,

সকল স্টেকহোল্ডারদের ডাটাবেজের আওতায় আনা,

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা,

বীচে হারানো ও দলছুট শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন,

ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন,এবংফটোগ্রাফার/অটোচালক/কিটকট বয়দের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান

To


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর