শিরোনাম :
তথ্য প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশ: অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যতের পথ নবর্বষ ও হালখাতা কক্সবাজারের মগনামায় ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আইএসডিই জাতীয়করণের দাবিতে কক্সবাজার ডিসি কলেজের স্মারকলিপি উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধও অকার্যকর : নির্যাতিত সাংবাদিকের আহাজারি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে ঈদ উপহার উখিয়া উপজেলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় মানবিক সহায়তাঃ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে এক হাজার পরিবারে খাদ্য বিতরণ আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রামে ১৫টি স্থানীয় সিবিওদের মাঝে ১৮, ৯১,৩০৮ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ

১২০ টাকায় সেহরি জামানে

নিউজ রুম / ১৪৪ বার পড়ছে
আপলোড : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

বিডি প্রতিবেদক :
দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিতে মানুষের যখন নাবিশ্বাস উঠেছে ঠিক তখনই কক্সবাজারে মিলছে ১২০ টাকায় সেহরি। তাও আবার কয় রকম তরকারি সাধু নিতে পারছেন ১২০ টাকায়।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কক্সবাজারে মাত্র ১২০ টাকায় সেহরি সরবরাহ করছেন হোটেল জামান। কক্সবাজারের কম আয়ের মানুষদের জন্য এ কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া ছিন্নমূলদের ইফতার-সেহরি বিতরণের সেবামূলক কর্মকাণ্ডও চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কের ঝাউতলা এলাকায় অবস্থিত হোটেল জামানে এই খাবার পাওয়া যাচ্ছে।
গত রাতে সেহরি খেতে আসা দিনমজুর আবুল কালাম সহ কয়েকজন জানান, সারাদিন পরিশ্রম করে পরিবার, বৌ-বাচ্চা নিয়ে কোনো রকম জীবন চালাতে হয়। পছন্দ মতো ইফতার কেনার সামর্থ্যও নেই আমাদের। বিভিন্ন ভাতের হোটেলে সেহরি খেতে গেলে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা লাগে। অথচ হোটেল জামানের মতো এরকম বিলাসবহুল একটি হোটেলে ১২০ টাকায় মাছ কিংবা মাংস সাথে ডাল-সবজি দিয়ে খাওয়া যায়। দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতির সময়ে এটা আমাদের জন্য বড় নিয়ামত বলে জানালেন সেহরি খেতে আসা রফিকুল ইসলাম।

হোটেল জামানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হোসেন জামান ছোটন জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা নিম্ন আয়ের মানুষেরা। রোজার মাসে খেটে খাওয়া এসব মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। কাজের তাগিদে অনেকের সময় পথেঘাটে কাটাতে হয়। কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় দোকান থেকে সেহরি কিনে খাওয়ার সুযোগ নেই তাদের। সেই কথা মাথায় রেখেই প্রথম রোজা থেকেই এ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

তিনি আরও বলেন, প্রথম রোজা থেকেই ১২০ টাকায় সেহরি খাওয়ার সুযোগটি মানুষদের দেয়া হচ্ছে। অথচ এতে আমাদের অর্ধেকের চেয়ে বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তারপরও মহান আল্লাহকে খুশি করার জন্য এবং দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ যারা আছেন তাদের সাধ্যমতো সেহরি খেতে পারার জন্য এই ব্যবস্থা করেছি। পবিত্র রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাব।
এছাড়াও প্রতিদিন পথ শিশু ও গরিব অসহায় দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী দেওয়া হয়।
###


আরো বিভিন্ন বিভাগের খবর