বিডি প্রতিবেদক :
কক্সবাজার আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দাবি করা মামলার বাদী রুনা আক্তারকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করার দায়ে বুধবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোঃ মুসলেম উদ্দীন এই রায় দেয়। এ ছাড়াও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামী রুনা আক্তার কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ আউলিয়াবাদ এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২২ সালের মার্চে কক্সবাজার আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ করে মামলা করেন রুনা আক্তার। পরে মামলাটি আদালত মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় সব আসামিকে খালাস প্রদান করেন আদালত।
মামলা থেকে খালাস পেয়ে ওই মামলার আসামিদের একজন রাসেল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে রুনার বিরুদ্ধে আদালতে পাল্টা মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এপিপি বদিউল আলম জানান, রুনা আকতারের দায়ের করা ধর্ষণ মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামীদের খালাস দিয়ে মামলাটি খারিজ করে দেন। কিন্তু তার আগে আসামীরা দীর্ঘদিন জেল খেটেছেন। তাই সংক্ষুব্ধ হয়ে আসামীদের একজন রাসেল উদ্দিন হয়রানির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলাটি স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে রায় দিয়েছেন আদালত।
রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামী রুনা আকতারকে পাঁচ বছর কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।